banglanewspaper

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, অভিভাবকরা মনে করেন মেয়ে শিশুদের বিয়ে দেয়াই তাদের প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু মেয়েরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল অবদান রেখে প্রমাণ করেছে সুযোগ পেলে তারা সবই করতে পারেন।


তিনি আজ শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মিলনায়তনে দিনব্যাপী নারী বিজ্ঞানীদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এ কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য “টেকসই লক্ষ্যসমূহ অর্জনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি”।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অবস্থান আছে। শুধু বিজ্ঞান গবেষণায় আমরা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারিনি। তাদেরকে আরও উৎসাহিত করতে পারলে মেয়েদের বিজ্ঞানী বানানো কঠিন কোন কাজ নয়।’


নারীদের বিজ্ঞানে উৎসাহ কম থাকাটা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবার আগে পরিবারের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাদেরকে উৎসাহিত করলে গবেষণায় মেয়েরা ছেলেদের মতো ভালো করবেন।


বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি, দ্য গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব সায়েন্সেস একাডেমিস ও দ্য ওয়ার্ল্ড একাডেমি অব সায়েন্সেস-রিজওনাল অফিস ফর সেন্ট্রাল অ্যান্ড সাউথ এশিয়া যৌথভাবে তিন দিনব্যাপী তরুণ বিজ্ঞানীদের সম্মেলনের আয়োজন করে।
আজ তৃতীয় দিন ছিল নারী বিজ্ঞানীদের সম্মেলন।


বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর ফেলো প্রফেসর ড. হাজেরা মাহতাব অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
একাডেমীর সম্মানিত ফেলোবৃন্দ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তান থেকে ৮ জন প্রথিতযশা বিজ্ঞানী এ কনফারেন্সের সূচনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।
দেশের প্রবীন ও নবীন বিজ্ঞানী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নবীন গবেষকসহ মোট ১০০ জন বিজ্ঞানী এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানীদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব, টেকসই উন্নয়ন ও জীবনযাত্রা, শক্তি (এনার্জি) সংকট মোকাবিলা এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে উদ্যোক্তা বিষয়ে উপস্থাপনা।