banglanewspaper

কুমারখালী প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কুমারখালী শাখার লোন সহয়তায় সোনালী হস্তশিল্প এখন স্বাবলম্বী । ২০০৪ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর নারী উদ্দ্যোক্তা সোনালী আক্তার এর উদ্যোগে পাঁচজন হতদরিদ্র মহিলাদের নিয়ে আত্মকর্মসংস্থান মূলক সোনালী হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান কারচুপি (শাড়ির উপড়ে পুঁথি পাথরের নকশা ) কাজ শুরু করে।

গ্রামীণ ও শহরীয় প্রথা অবলম্বনে বিবাহ উৎসবে কারচুপি (শাড়ির উপড়ে পুঁথি পাথরের নকশা)ব্যাপক চাহিদা থাকায় অল্পদিনের মধ্যে বেশ জোষ খ্যাতি অর্জন করে বসে সোনালী আক্তারের নিজ হাতে গড়া সোনালী হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান । আর্থিক দৈনতা থেকে বাহির হয়ে আসতে বেশী বেগ পেতে হয়নি সোনালী আক্তারের । শুরুতেই বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কুমারখালী শাখার লোনের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য পাই।

মুল সম্বল হাতে নিয়েই সোনালী আক্তার ও তার স্বামী জসিম উদ্দিনের নিরলস প্রচেস্থায় অসচ্ছল গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থানকল্পে প্রায় ১২ টি কারখানার মাধ্যমে প্রায় ছয়শত নারী কর্মী কর্মসংস্থান হয়েছে । সিল্কের লাল সবুজ ও বিভিন্ন রঙের থান কাপড়ের ওপর সূনিপুণ হাত কারিগরের মাধ্যমে চুমকি, পুঁথি, পাঁথর ,সুতা ও জড়ি দিয়ে কারচুপির কাজ করে নান্দনিক ও রুচি সম্মত শাড়ি ও থ্রিপিচ তৈরি করে ঐসকল নারী কর্মীরা । একটি শাড়ি কারচুপির কাজ করতে সময় লাগে ১০/২৫ দিন ।

কাজ ভেদে একটি শাড়ির মজুরী দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার পর্যন্ত পারিশ্রমিক পায় এক জন কারিগর । সাংসারিক অন্যকাজ সেরে অবসর সময়ে কারচুপির কাজ করে একজন কর্মী স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন মোছাঃ জলি খাতুন । সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য উপার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কুমারখালী শাখা নারী উদ্যোক্তা সোনালী আক্তারের এস এম ই লোনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে এগিয়ে এসেছে ।

এরই অংশ হিসাবে আজ ৩০ নভেঃ ১৬ দুপুরে কুমারখালী বাঁখই গ্রামে কারখানা পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এর কুমারখালী শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ লতিফুর রহমান ও কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান । মুঠোফোনের মাধ্যমে তাৎখনিকভাবে কারখানার সার্বিক চিত্র ও এস এম ই লোন ছাড়ের ব্যপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে বিভাগীয় মহা ব্যবস্থাপক কুমারখালী শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ লতিফুর রহমান নির্দেশনা প্রদান করেন।

উক্ত পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন সোনালী হস্তশিল্পের কর্ণধর সোনালী আক্তার, জসীম উদ্দিন ব্যবস্থাপক কুমারখালী শাখা মোঃ লতিফুর রহমান ও কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান ,সাংবাদিক দীপু মালিক ও সমাজকর্মকার হুমায়ুন কবির ।