banglanewspaper

স্বাধীন বাংলাদেশ নির্মাণ এবং বিনির্মাণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনবদ্য ইতিহাস জাদুঘরে তোলা আছে। তবে অর্জনের সেই ইতিহাস ধারাবাহিকতা আজও তারা বলবত রেখেছে বর্তমান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহপুরুষ সভাপতি আবিদ আল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক সুবক্তা মোতাহার হোসেন প্রিন্স এঁর নেতৃত্বে।

প্রথাবিরোধী এবং সময়ের সাথে প্রাগ্রসর এই দু'জন তাদের নিত্য নতুন কর্ম পন্থা এবং তার বাস্তবায়নে ঘটিয়ে চলেছেন নীরব বিপ্লব। তারই ধারাবাহিকতায় এবারে অতি দ্রুত সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কমিটি পূর্ণাঙকরণ এবং হল কমিটি করেছেন। তরুণ, পড়ুয়া এবং সংস্কৃতিমনা শিক্ষার্থীদের নিয়ে এসেছেন হল কমিটিগুলোর নেতৃত্বে। ক্যানভাস পরিধি সামান্য হওয়ায় উদাহরণস্বরূপ শুধুমাত্র পল্লী কবি জসীম উদ্দিন হলের কথা বলছি।

এবারে সেখানকার ছাত্রলীগ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ মোঃ আরিফ হোসেন। বাবা সৈয়দ বাবুল হোসেন এবং মা রওশন আরা বেগমের চার সন্তানের মাঝে দ্বিতীয় পুত্র সৈয়দ মোঃ আরিফ হোসেন। তাঁর বড় ভাই সৈয়দ মোঃ ইব্রাহিম খলিল বরিশাল সদর উপজেলা টুঙ্গিবাড়ি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। বাবা এবং দাদাও আওয়ামী সমর্থক। স্বাধীনতার চরমপত্র পাঠকারী এম আখতার মুকুলের ভাষ্য মতে, আওয়ামী লীগার কেউ হতে পারে না, হয়ে জন্মাতে হয়। অর্থাৎ নব্য কয়লায় ভাত স্যাকা এবং পুরনো কয়লার মাঝে তিনি ফারাকটা বেশ স্পষ্টই করে দিয়েছেন। সে হিসেবে সৈয়দ মোঃ আরিফ হোসেন পারিবারিক সংস্কৃতিতেই বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর রাজনৈতিক দর্শন বিষয়ক শিক্ষা পেয়েছেন। উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন শৈশব-কৈশোরের শুরুতে বড় ভাইয়ের সাথে ছাত্রলীগের মিছিল এবং সম্মেলনে গিয়ে। বিশ্ব ধর্ম এবং সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সৈয়দ মোঃ আরিফ হোসেন সাংস্কৃতিক ক্রিয়াসহ সামাজিক কর্মে বেশ তৎপর।

এছাড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক ঘোষিত শিক্ষা ও পাঠচক্র কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তাঁর হলে পরিচালিত কার্যক্রমেও বেশ সফলভাবেই অংশগ্রহণ করেছিলেন। উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টায় নিজে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী কিনে পড়িয়েছিলেন হলের অনুজদের। হল কমিটি হবার পরপর পল্লী কবি জসীম উদ্দিন হল ছাত্রলীগ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক দু'জনে হলের দুইতালায় শিক্ষার্থীদের সাথে অনানুষ্ঠানিক এক মত বিনিময় করেন। সেখানে সভাপতি সৈয়দ মোঃ আরিফ হোসেন হলে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, সংস্কৃতি চর্চা এবং যূথবদ্ধভাবে সোনার বাংলা গঠনের জন্যে সকলকে তাদের নিজে নিজ অবস্থান থেকে প্রস্তুতি নিতে আহ্বান করেন।

এবারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল কমিটিগুলোতে নেতৃত্বে এসেছেন মেধা এবং মননের সমন্বয়ের অধিকারী তরুণেরা। কাজেই তারা নিজ নিজ কর্মচিন্তায় দেশকে নিয়ে যাবেন অনন্য এক উচ্চতায়, প্রত্যাশা এখন এতটুকুই।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

 

লেখকঃ হায়দার মোহাম্মাদ জিতু, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 

 

 

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: