স্বাধীনতার স্বপ্নকে লুণ্ঠিত ক্যানভাস থেকে ছিনিয়ে আনতে যে স্বচ্ছ স্বপ্নবাজ তরুণেরা যূথবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল সেই স্বপ্নবাজ সংগঠনের নাম বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। শহীদের মিছিলে হাজারো নাম কাতারবদ্ধ রেখে আজও এঁরা নিভৃতে স্বদেশীয় কর্মে লিপ্ত।

আর এই সংগঠনের প্রাণ ভোমরা খ্যাত নিউক্লিয়াস হল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যার অন্যতম সৌন্দর্য হল তার হলগুলি। যেখানে বাসরত শিক্ষার্থীরা অতীতের যেকোনো সংগ্রামের ন্যায় এখনো বুক চেতিয়ে দাঁড়ায় অগ্রজ হিসেবে।

বর্তমান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবাদ পুরুষ সভাপতি আবিদ আল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক স্লোগান মাস্টার মোতাহার হোসেন প্রিন্স। নিত্য নতুন কর্ম অনুসন্ধান এবং তা বাস্তবায়নে এঁরা দু'জনেই সংকল্পবদ্ধ। অতীত গতি প্রকৃতির সব বেসামাল পথকে চোখ রাঙ্গিয়ে এঁরা খুঁজে চলেছে নিত্য নতুন পথ।

যার ধারাবাহিকতার ফল এবারে অতি দ্রুত সময়ে হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং তার হল কমিটিগুলো। এবারের হল কমিটিগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল প্রথা বিরোধিতা এবং তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সমন্বয়।

স্বল্প পরিধির এই ক্ষেত্রপটে শুধুমাত্র মাস্টার দ্যা সূর্যসেন হল সম্পর্কে বললে, এবারে সেখানকার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ গোলাম সারোয়ার। বাবা মোঃ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং মা জোবায়দা রহমানের অসীমে স্নেহে মানুষ এই সন্তান পেয়েছেন পারিবারিকভাবেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং দর্শনের শিক্ষা। তাঁর পরিবারের অন্য দুই সদস্য হলেন বড় বোন আবিদা রহমান রুবি এবং ছোট বোন তাসলিমা রহমান রিমি।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি আবিদ আল হাসানের উদ্ধৃতি উল্লেখে তিনি বলেন, "ভাই" যেমন বলেন "রাজনীতি আপনার সাথে বেঈমানি করতে পারে, কিন্তু পড়াশুনা কখনই আপনার সাথে বেঈমানি করবে না। কাজেই আগে ভালো করে পড়াশুনা করেন এবং পড়াশুনার পাশাপাশি রাজনীতি করেন।" ভাইয়ের এই নীতিতে আমি বিশ্বাসী। আর তাই আমার হলের প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেন সুষ্ঠু পড়াশুনার পরিবেশ পায় এবং সবাই সমান অধিকার পায় সে বিষয়টিকে নিশ্চিত করব। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছড়িয়ে দেবার জন্যে কাজ করব।

বর্তমান বাংলার নেতৃত্বে আছেন বঙ্গতনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর পাশে সহযোগী হিসেবে আছেন তরুণ ছাত্রলীগ কর্মীরা । কাজেই তাঁর নেতৃত্বে পৃথিবীর তাবৎ স্পর্ধাপূর্ণ স্বপ্নগুলোকে নিয়ে প্রতিটি ছাত্রলীগ কর্মী এগিয়ে যাবে, প্রত্যাশা এখন এতটুকুই।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখকঃ হায়দার মোহাম্মাদ জিতু, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 

 

 

 

 

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)