মুনসী তরিকুল ইসলাম: একটি ছোট্ট শিশু চিঠি লিখে জানালো 'শুধুমাত্র সেতু না থাকায় আমার স্কুলে যেতে কষ্ট হয়'। আর সেই চিঠিই তাঁর নিকট পৌছানোর পর অতিদ্রুতায় সেখানে শুরু হলো সেতু তৈরির কাজ।

বিসিএস পরীক্ষা বন্দিদশা হয়ে ছিলো লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে, সেই তিনি ক্ষমতায় আসার পর এখন নিয়মিতই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিসিএস পরীক্ষা। বিসিএসে যাঁরা ক্যাডার পায়নি তাদেরকেও নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন সরকারী চাকুরীতে।

সারাদেশে সরকারীভাবে নির্মিত হয়েছে অসংখ্য মসজিদ, মন্দিরসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়।
কৃষকের জন্য চালু হলো ১০ টাকার ব্যাংক একাউন্ট।

মধ্যপ্রাচ্যে দেশপ্রেমিক ৬ বাঙ্গালীর শিরচ্ছেদের রায় ঠেকাতে প্রায় এক কোটি টাকা দরকার।
সেই 'তিনি' জানা মাত্রই টাকাটা পাঠানোর ব্যবস্থা করলেন।
দেশে ফিরে এলো জীবন্ত ৬ বাঙ্গালী।

কবি-সাহিত্যিকদের অসুস্থতার খবর পেয়ে 'সেই তিনি' চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছেন বহুবার।

কোনো মুক্তিযোদ্ধা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না? খবর 'তাঁর' কানে যেতে সময় লাগে, কিন্তু সহযোগিতার হাত বাড়াতে এক মুহূর্তও দেরি করেন না।

আগের তুলনায় কয়েকগুণ এবং নজিরবিহীনভাবে বৃদ্ধি করেছেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সকল সুযোগ-সুবিধা।

সকল ষড়যন্ত্র ধুলা-মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে নিজেদের টাকায়ই পদ্মা সেতু তৈরি করার দুঃসাহসও দেখিয়েছেন সেই 'তিনিই'।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জাতিকে কলংকমুক্তও 'তিনিই' করেছেন।

সীমান্ত সমস্যা, ছিটমহল সমস্যা দূর করার পাশাপাশি জয় করেছেন সুবিশাল সমুদ্রসীমা।

তাঁর সময়েই পুরোপুরিভাবে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে 'তলা বিহীন ঝুড়ি'র বাংলাদেশ।

বৃদ্ধি পেয়েছে চাকুরীজীবীদের বেতন।

দীর্ঘ চার দশক পর 'তাঁর' কল্যাণেই বীরাঙ্গনারাও স্বীকৃতি পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।

জিডিপি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সুন্দরভাবে বন্টন করা হচ্ছে বয়স্ক ও বিধবাভাতা।

বাংলার মানুষের নিরাপদ আশ্রয় জননেত্রী শেখ হাসিনাই।

=জয়তু বঙ্গবন্ধু, জয়তু শেখ হাসিনা=

লেখক: সাংবাদিক

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)