ডেস্ক রিপোর্ট:

১. হাত ও পিঠের ওপর
সাধারণভাবে একেই ঘুমের আদর্শ ভঙ্গি বলা হয়। বিছানার ওপর পিঠ দিয়ে দুই পা সোজা রেখে দুই হাত দুই দিকে ছড়িয়ে দিন।


তবে এভাবে ঘুমানোর সময় পিঠের নিচে বালিশ দেবেন না। এতে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে। 
 

২. পিঠ দিয়ে দুই হাত উপরে
এই ভঙ্গি স্টারফিশ নামে পরিচিত। পিঠের জন্য এই ভঙ্গিতে ঘুমানো আদর্শ বলে ধরা হয়। আগেরটার মতোই সটান শুয়ে পড়ুন। তবে এবার দুই হাত মাথার দুই পাশ দিয়ে উপরের দিকে রাখুন। এই ভঙ্গিতে অবশ্য নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। আবার দুই হাত দীর্ঘক্ষণ উপরের দিকে রাখার কারণে কাঁধ ও স্নায়ুতন্ত্রে চাপ অনুভূত হতে পারে। তবে ঘাড়ের নিচে একটা বালিশ দিলে আরাম লাগবে। 
 

৩. পেটের ওপর
একেবারে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এই ভঙ্গিতে হজমের সমস্যা দূর হয়। তবে মুখ বালিশের ওপর চাপে থাকে বলে কিছুটা ব্যথা হতে পারে। যদি এক পাশে বালিশ নিয়ে শোয়া হয়, তাহলে সমস্যা হওয়ার কথা না। এতে ঘুমও ভালো হয়। 
 

৪. গর্ভের শিশুর ভঙ্গি
মুখের এক পাশ বালিশে থাকবে। কাত হয়ে থাকবে দেহ। পা দুটি হাঁটু মুড়িয়ে পেটের দিকে আনতে হবে। এটা বেশ আরামদায়ক হতে পারে অনেকের জন্য। তবে ডান পাশ হয়েই ঘুমানো ভালো। বাম পাশে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ থাকে। এগুলোতে চাপ পড়ে। 
 

৫. এক কাত হয়ে দুই হাত নিচে
ডান বা বাম কাত হয়ে ঘুমালে মেরুদণ্ড তার সহজাত বাঁক লাভ করে। বেশ আরামদায়ক ভঙ্গি এটি। এই ভঙ্গিতে ঘুমালে পিঠের ও ঘাড়ের ব্যথা কমে যায়। আরো আরাম হবে যদি দুই পায়ের মাঝে একটা বালিশ দিয়ে নেন। 
 

৬. যেকোনো এক পাশ হয়ে দুই হাত বাইরে
আগের ভঙ্গির মতোই উপকার মিলবে। তবে এই ভঙ্গিতে ঘাড় ও হাতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। একপাশ হয়ে শুয়ে দুই হাত বাইরের দিকে রাখুন। কিংবা একটা হাত ভাঁজ করে নিন। 

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া