২০১১ সালের আজকের এই দিনে ফেলানি'কে হত্যা করে ঝুলিয়ে কাঁটাতারে রাখে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী। ৬বছর পার হয়ে গেলেও সঠিক বিচার পায়নি ফেলানির পরিবার। দেশের ইতিহাসে হার মানয়েছিল এই হত্যাকাণ্ড। দেশি বিদেশি গণমাধ্যমে হৈ চৈ উঠলেও টনক নড়েনি ভারতীয়দের মাঝে। সেই তখন থেকেই বিচারিক কাজ চলেই আসছে। সবসময় ফেলানির রায় গেছে বিএসএফের পক্ষেই।

২০১৫ সালে রায়ের পুনঃআপিলের পর এখন পর্যন্ত ঝুলে আছে ভারতীয় আদালতে।

১৫ বছর বয়সী ফেলানি। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর-দিনহাটা সীমান্তের খিতাবের কুঠি এলাকায় গেল ২০১১ সালের ৭জানুয়ারি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর সদস্যরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর পাঁচ ঘন্টা ফেলানীর লাশ ঝুলিয়ে রাখে কাঁটাতারে।

ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছে। কিন্তু কেনো তারা ফেলানি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ধুম্রজালের রচনা করছে।

কি দোষ ছিল ফেলানির। শুধুই ফেলানি ঘটনাই এখন প্রতিনিয়তই এমন ঘটছে সীমান্তে হত্যা। এতো সমঝোতা চুক্তি, এতো বৈঠক হচ্ছে প্রতিনিয়তই। তবুও চলছে হত্যাকাণ্ড।

দেশে সীমান্তে হত্যা বন্ধে ৭জানুয়ারি কে ফেলানি দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা উচিত।

 

লেখকঃ আল্লামা ইকবাল অনিক,
বার্তাকক্ষ সম্পাদক,
মাছরাঙা টেলিভিশন।

 

 

 

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)