banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোহাম্মদপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত নব্য জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান নূরুল ইসলাম মারজান ও তার সহযোগী আরেক জঙ্গি নেতা সাদ্দামের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সোয়া ১১টা পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে তাদের ময়নাতদন্ত হয়।

ময়নাতদন্ত শেষে ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘মারজানের শরীরে একাধিক গুলি লাগে, যা তার শরীর ভেদ করে বের হয়ে যায়। সাদ্দামের শরীর থেকে তিনটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের শরীরে গ্রেনেডের কোনো স্প্লিন্টার খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ‘নিহত ‍দুই জঙ্গি মারা যাওয়ার আগে শক্তিবর্ধক কোনো কিছু খেয়েছিল কি না তা জানার জন্য তাদের শরীর থেকে বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।’

ঢামেক হাসপাতাল মর্গে লাশ রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই উল্লেখ করে সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘লাশ রাখার বাড়তি তেমন জায়গা নেই। তাই আমরা চেষ্টা করব স্বজনদের কাছে তাদের লাশ দ্রুত ফিরিয়ে দিতে। যদি স্বজনরা না আসেন, তাহলে লাশ কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করা  হবে।’ ময়নাতদন্তে ডা. সোহেল মাহমুদের সঙ্গে ছিলেন একই বিভাগের ডা. প্রদীপ বিশ্বাস।