ডেস্ক রিপোর্ট: ক্রিকেটে একটি বাক্য প্রবাদের মত হয়ে গেছে 'ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস'। বাংলাদেশের এই ম্যাচটি মিস হবে কিনা তা বলার সময় এখনও আসেনি; তবে ক্যাচ মিস মানেই পিছিয়ে যাওয়া; সম্ভাবনা নষ্ট হওয়া সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।

আজ বে ওভালে দেখা গেল ক্যাচ মিসের উৎসব। ৪১ রানের মধ্যে দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নিলেও শেষ পর্যন্ত ১৯৫ রানের টার্গেট পায় বাংলাদেশ।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে তেড়েফুঁড়ে ব্যাটিং শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। দুই ওপেনার মিলে ৩৪ রানের জুটি গড়েন। যখন দুই ওপেনার বেপরোয়া হয়ে উঠছিল তখনই মঞ্চে আবির্ভাব রুবেল হোসেনের। পঞ্চম ওভারে বল করতে এসেই তুলে নিলেন জোড়া উইকেট। ওভারের দ্বিতীয় বলে নিশামকে (১৫) এলবিডাব্লিউ এবং শেষ বলে সৌম্য সরকারের ক্যাচে পরিণত করলেন মুনরোকে (০)।

নিজের প্রথম ওভারে বল করতে এসে প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন মোসাদ্দেক হোসেন। ইমরুল কায়েসের তালুবন্দী হন নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে আসা টম ব্রুস (৫)। এরপরেই অ্যান্ডারসনকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন ওপেন করতে নামা কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৪৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন উইলিয়ামসন। এই দুজনের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ১৩.৩ ওভারে ১০০ রান আসে নিউজিল্যান্ডের। ১৫ তম ওভারে মাশরাফির বলে উইলিয়ামসনের সহজ ক্যাচ ছাড়েন সাকিব আল হাসান। যার মূল্য দিতে হয় পরের দুই বলে চার এবং ছক্কা দিয়ে!

এরপর সৌম্য সরকারের ৩ বলে পরপর ৩ ছক্কা হাঁকিয়ে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন অ্যান্ডারসন। ১৮ তম ওভারে মাশরাফি বল করতে আসলে আবারও তাকে উইকেট বঞ্চিত করেন তামিম ইকবাল। সাকিবের পথ অনুসরণ করে খুব সহজ একটা ক্যাচ ফেলে দেন তিনি। দ্বিতীয় বলের সময় একটি ক্যাচ নিতে গিয়ে ব্যাথা পান মাশরাফি। সবাইকে উদ্বিগ্ন করে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। সেই ওভারটি শেষ করেন মোসাদ্দেক। ১৯তম ওভারে আবারও রুবেল হোসেনের আঘাত। এবার কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে (৬০) সরাসরি বোল্ড করে দিয়ে তৃতীয় উইকেট শিকার করেন তিনি। এর আগেই সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে গেছে। চতুর্থ উইকেট জুটিতে এসে গেছে ১২৪ রান। বেপরোয়া ব্যাটিং করা অ্যান্ডারসন অপরাজিত থাকেন ৯৪ রানে। তার ব্যাটিং তান্ডবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা।