নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুনভাবে ১১টি পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। চলতি বছর থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলেও জানানো হয়। এতে অভ্যন্তরীণ ভাবে পাটের ব্যবহারই শুধু বাড়বে না, উৎপাদনও বেড়ে যাবে বলে জানান পাট প্রতিমন্ত্রী।

পরিবেশবান্ধব দেশ গড়তে ও কৃষককে পাট উৎপাদনে উৎসাহী করতে সরকারের এই উদ্যোগ, পাট শিল্পের উন্নয়ন তরান্বিত করবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

ধান, চাল, গম, ভুট্টাসহ ৬টি পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক আইন-২০১০ বাস্তবায়নে ২০১৫ সালের শেষ সময় থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। মাঠ পর্যায়ে আইনটি যথাযথভাবে কার্যকর করার ফলে অভ্যন্তরীণ ভাবেই প্রায় ১৫ শতাংশ পাটের ব্যবহার বেড়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে আরো ১১টি পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বলে জানায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেন, ‘১০ শতাংশের বেশি আমরা কখনও লোকাকে কনজুমার করতে পারতাম না। কিন্তু এই মেনডেটরি প্যাকেজিং অ্যাক্ট বাস্তবায়নের পর থেকে ২৫ শতাংশ লোকাকে কনজিউম করতে পারছি।

এছাড়া আরও নতুন ম্যানডেটরি প্যাকেজিং অ্যাক্ট যোগ করতে যাচ্ছি আমরা। আর যদি সেটি হয় তাহলে আমরা ৩৫ শতাংশ লোকাকে কনজিউম করতে পারবো।’ এ আইন বাস্তবায়ন করা গেলে পাটের উৎপাদনও বাড়বে বলে জানান পাট প্রতিমন্ত্রী।

নতুন ১১টি পণ্যের মধ্যে রয়েছে- আলু, আটা, ময়দা, ডাল, হলুদ, মরিচ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ধনিয়া, তুষ-কুড়া। এসব পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার ফলে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয় কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও, সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।