banglanewspaper

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: এমপি লিটনকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। লিটনের হত্যাকারী যেই হোক তাকে দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। অল্প সময়ের মধ্যে লিটন হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হবে।

মঙ্গলবার বিকালে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের আয়োজনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা আবদুল হক ডিগ্রী কলেজ মাঠে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় পুলিশের আইজিপি এ, কে, এম শহীদুল হক এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, অধিকাংশ জঙ্গিরা নর্থবেঙ্গলের। গাইবান্ধা, রংপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাদের বাড়ি। দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে বিশেষ দল তাদের টাকা দিয়ে নিজেদের অনুসারী করে। 

অভিভাবকদের নিজেদের সন্তানের খোঁজখবর রাখার আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, লক্ষ্য রাখবেন জঙ্গিদের কোনো প্রভাব যেন তাদের ওপর না পড়ে।জেলা পুলিশ সুপারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রংপুর রেঞ্জের (ডিআইজি) খন্দকার গোলাম ফারুক, জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ, জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি ফোরামের আহ্বায়ক এমএ আব্দুস ছালাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, এমপি লিটনের বড় বোন আফরোজা বানু ও মঞ্চে উপস্থিত নিহত সাংসদ লিটনের স্ত্রী খুরশিদ জাহান স্মৃতি বক্তব্য রাখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে স্বামীর হত্যাকারীদের বিচার চান। তাকে সমবেদনা জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘আপনার বেদনা আমি বুঝি। আমি ওয়াদা করলাম, খুনিদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় অবশ্যই আনবো।’

এরপর আইজিপি এ,কে, এম শহীদুল হক এমপি লিটনের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি এমপির গুলিবিদ্ধ বৈঠকখানা পরিদর্শন করেন। সেই সঙ্গে তিনি এমপি লিটনের কবর জিয়ারত করেন।

ট্যাগ: