banglanewspaper

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে বর্তমানে নওগাঁ সদর হাসপাতালে গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছে। মহাদেবপুর উপজেলার কুড়াইল গ্রামের আমিনুলের মেয়ে এবং ধর্ষক একই গ্রামের প্রতিবেশী আলমের ছেলে ফরহাদ হোসেন লাদেন (১৬) প্রতিবেশী সম্পর্কে চাচা। ধর্ষক প্রভাবশালী হওয়ায় থানায় মামলা করার সাহসও পাচ্ছেনা ভিকটিমের পরিবার।

শিশুটির দাদী আমেনা বেগম বলেন, শিশুটির মা নেই। বাবা ঢাকায় রিক্সা চালায়। জন্মের পর থেকে তার কাছেই থাকে। গত মঙ্গলবার (৩জানুয়ারী) সকালে তিনি পার্শ্ববর্তী জয়পুহাট জেলায় আত্মীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ওইদিন বাড়ী ফিরতে সন্ধ্যা হয়। ওইসময় বিদ্যুৎ না থাকায় বাড়ীতে কিছুটা অন্ধকার ছিল। আর নাতনী খাবার ঘরে চিৎকার করছিল। আমার উপস্থিতি বুঝতে পেরে লাদেন দৌড়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, আমার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। এরপর লাদেনের বাবা আলম আমার নাতনীকে নিয়ে পতœীতলা উপজেলার নজিপুরে এক ডাক্তারের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ীতে নিয়ে এসে আটকিয়ে রাখে। আর কোন ধরণের মামলা না করার জন্য হুমকি দেয়। মেয়েটির অবস্থা খারাপ হতে থাকলে গত রবিবার পালিয়ে গিয়ে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। এরপর ওইদিনই নওগাঁ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ভিকটিম বলে, ওইদিন সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ না থাকায় পাশের বাড়ীতে বাতী জ্বালাতে যাওয়ার সময় লাদেন চাচা গলায় ছুরি ধরে আমাদের বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. দিলরাজ বানু বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার'কে জানান, শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ব্লিডিং ও সামান্য একটু কাটা ছিল। শিশুটা ভয়ে আছে তার চিকিৎসা চলছে। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার'কে বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। 

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাবের রেজা বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার'কে বলেন, এ ধরনের ঘটনা জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ: