banglanewspaper

ওজন বা মেদ কমাতে হলে কম থেয়ে থাকতে হয়। আবার ঘুমালে ওজন বাড়ে, এমন বদ্ধমূল ধারণা বহুদিনের।

তবে অনেকেরই জানা নেই বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো ওজন এবং মেদ কমাতে দারুণ কার্যকর। আর প্রতিদিনের পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমও সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।

তাছাড়া ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি বেগ পেতে হয় পেটের মেদ নিয়ে। ওমেনসহেলথম্যাগ ডটকমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গবেষকরা জানায়, সঠিক খাদ্যাভাস এবং নিয়ম করে ঘুম— পেটের মেদ কমাতে কার্যকর।

৩টি খাবার পেটের মেদ কমাতে দারুণ কার্যকর। পাশাপাশি এ খাবারগুলোর ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক।

মাছ

প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে ওমেগা থ্রি নামক এসিডের অভাবের কারণে ঘুমে সমস্যা হয়ে থাকে। ওমেগা থ্রি-এর অভাবে শরীরে ঘুমের হরমোন তৈরির পরিমাণ কমে যায়। এতে করে অনেকেরই রাতে ঘুম হয় না, আর রাত জেগে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়। ওমেগা থ্রি এসিডের একটি প্রধান উৎস হল মাছ। তাই প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে মাছ থাকা জরুরি।

তাছাড়া প্রোটিনজাতীয় খাবার হিসেবে দারুণ একটি খাবার মাছ। গবেষণায় দেখ গেছে, সারাদিনের খাবারে পরিতৃপ্তি আনে এই খাবার আর মাছ মেদও বাড়ায় না। তাছাড়া ওমেগা থ্রি এসিড হৃদরোগের হাত থেকেও বাঁচায়।

বাদাম

যে কোনো ধরনের বাদামে ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বেশি থাক। ২০১০ সালে ম্যাগনেসিয়াম নিয়ে গবেষণার একটি জার্নালে জানা যায়, যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তাদের এই সমস্যা অনেকটাই কমাতে পারে নিয়মিত বাদাম খাবার অভ্যাস।

পঞ্চাশের উপর বয়স এমন একশজনের উপর গবেষণা চালানো হয়। যেখানে তাদের প্রতিদিন ৩২০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত খাবার দেওয়া হত। এবং অন্য একটি দলকে দেওয়া হত সাধারণ খাবার।

সাত সপ্তাহ পর দেখা যায়, দ্বিতীয় দলের তুলনায় প্রথম দলের সদস্যদের ঘুম ভালো হয়। আর এতে করে অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাসও কমে আসে।

দুধ

পেটের মেদ কমাতে উপকারী দুধ। ২০১০ সালে বার্মিংহামের ইউনিভার্সিটি অফ আলাবামা একশ জন মেনোপজপূর্ব নারীর উপর গবেষণায় করে দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেয়ে থাকেন তাদের পেটে মেদ জমার পরিমাণ খুবই কম।

প্রতিদিন ১০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ এক ইঞ্চি করে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া এ অভ্যাস ক্যান্সার এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।