banglanewspaper

হ্যাঁ, বাধা প্রথমে প্রচুর এসেছে৷ কেউ তাঁকে শাসিয়েছে, কেউ নারী চরিত্র ও গুণাবলী বোঝানোর চেষ্টা করেছে, কেউবা মহিলা চালকের রিকশায় বসতেই আপত্তি করেছে৷ মহিলা চালক বলে কম টাকাও দিতে চেয়েছে অনেকে৷ কিন্তু সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন ইয়াসমিন৷ আজ তিনি দিনে অন্তত ৬০০ টাকা তাই এমনতেই রোজগার করে নিতে পারেন৷

ডেস্ক রিপোর্টগোঁড়া সমাজ৷ বিদ্রূপ, কটূক্তি, রক্তচক্ষুর শাসানি – বাধা অনেকই ছিল৷ কিন্তু পেটের চাহিদা তার চেয়েও বেশি ছিল৷ শুধু একার খিদে নয়, সন্তানদের কথাও তো ভাবতে হবে? সমাজের চিন্তা করলে কেমন করে হবে? এই কথা ভেবেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন পুরুষশাসিত পেশায়৷ মোসাম্মত ইয়াসমিন৷ বাংলাদেশের একমাত্র মহিলা রিকশাচালক৷

মাথায় হেলমেট৷ পরনে শাড়ি৷ গত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশের রাস্তায় এভাবেই সওয়ারি নিয়ে চলেছেন ইয়াসমিন৷ পথচলতি মানুষের কাছে তিনি ‘ক্রেজি আন্টি’৷ কিন্তু পাগলামো নয় অভাবের তাড়নাতেই সমাজের বিরুদ্ধে লড়ার সাহস পেয়েছেন ইয়াসমিন৷ স্বামী অন্য মহিলার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে অকুস্থলে পড়েছিলেন ইয়াসমিন৷

প্রথমে আয়ার কাজ, তারপরে কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করারও চেষ্টা করেছিলেন৷ কিন্তু তাতে টাকা বড় কম৷ একজনের পেট কোনওরকমে চললেও পুরো পরিবারের পেট চলা দায়৷ ছেলেদের পড়াশোনার খরচও তো চালাতে হবে৷ সেই কারণেই প্রতিবেশীর রিকশাচালকের আসনে বসেছিলেন বাংলাদেশি মহিলা৷