banglanewspaper

আন্তজার্তিক ডেস্ক: দিল্লি ও উত্তর প্রদেশে হামলা পরিকল্পনার অভিযোগে ৫ জনকে আটকের পর ভারতের উত্তর প্রদেশের ২ হাজার মাদ্রাসা ও মসজিদ নিরাপত্তার জালে ফেলে এসব প্রতিষ্ঠান তল্লাশী করে দেখছে দেশটির আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

যে হামলা পরিকল্পনার জন্যে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন মসজিদের ইমামও রয়েছেন। পুলিশের এক সিনিয়র কর্তা বলেছেন, নিরাপত্তা জালে এনে ওই ২ হাজার মাদ্রাসা ও মসজিদ তল্লাশী করে দেখা হচ্ছে কোনো সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততা সেখানে রয়েছে কি না টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে এমনটি বলা হয়। 

তবে উত্তর প্রদেশের ওই ২ হাজার মাদ্রাসা ও মসজিদের মধ্যে দেড় হাজার প্রতিষ্ঠান আগেভাগেই পুলিশের নজরদারিতে ছিল। এর আগে আটক জঙ্গি সন্দেহে বেশিরভাগ প্রভাবশালী ছাত্র যারা বিভিন্ন মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করত। ফলে পুলিশের কাছে উত্তর প্রদেশের মাদ্রাসা ও মসজিদগুলো এখন জঙ্গি সন্দেহের বশবর্তী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংখ্যালঘু বিষয়ক বিভাগের হিসেবে ৫০০ মাদ্রাসার মধ্যে ১৫টি রয়েছে ডিগ্রি ও ৫৫টি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের। বিজনরের পুলিশ এসপি অজয় শানি বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা এসব মাদ্রাসা ও মসজিদগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি রেখেছে। কোনো বহিরাগত এসব প্রতিষ্ঠানে আসা যাওয়া করছেন কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দায়িত্ববান নাগরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের এসব মাদ্রাসা ও মসজিদের সঙ্গে ঘনিষ্ট যোগাযোগ রাখার জন্যে অনুরোধ জানানো হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে। যাতে কোনো তরুণ বিভ্রান্ত হয়ে জঙ্গি সম্পৃক্ততায় জড়িয়ে না পড়ে। তরুণদের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করার কথাও বলছে পুলিশ যাতে তারা জঙ্গি ফাঁদে জড়িয়ে না পড়ে।

গত বৃহস্পতিবার এ যৌথ অভিযানে ৬টি রাজ্য থেকে পুলিশ ৪ তরুণকে গ্রেফতার করে যাদের বয়স ১৯ থেকে ২৫ বছর। তাদের বিরুদ্ধে দিল্লি ও উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ আরো ৮ তরুণকে আটক করেছে। এদের ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মহারাষ্ট্র পুলিশ।

পুলিশ আটকৃতদের কাছ থেকে আইএস জঙ্গি সংশ্লিষ্ট পুস্তকও পেয়েছে। এছাড়া আটকের পর যে চার তরুণকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাদের আগামী ৬ মাস নজরদারির মধ্যে রাখা হবে।

ট্যাগ: