banglanewspaper

আন্তজার্তিক ডেস্ক: টাকা-পয়সা, গয়না, সম্ভ্রম নয়, চলছিল মানুষের রক্ত চুরি। প্রথমে মদ কিংবা মাদক খাইয়ে শিকারকে বেহুঁশ করা হত। তারপর অজান্তেই তাঁর শরীর থেকে বোতল বোতল রক্ত টেনে নিয়ে বিক্রি করা হত ব্লাড ব্যাংকে।

এভাবেই হতো হাজার হাজার রপি উপার্জন। ভারতের উত্তরপ্রদেশে এমনই আজব রাহাজানির কারবার ফেঁদে বসেছিল এক দল দুষ্কৃতি। জুম্মাবার ঝাঁসি জেলা থেকে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ৬ জন যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদের বিরুদ্ধে বহু যুবককে আটকে রেখে জোর করে রক্ত নিয়ে বিক্রির অভিযোগ ছিল।

ঝাঁসি জেলার বড়াগাঁও পুলিশ স্টেশনে সম্প্রতি একটি অদ্ভুত অভিযোগ আসে, কে বা কারা নাকি জোর করে মানুষের শরীর থেকে রক্ত চুরি করে নিচ্ছে। এমন অদ্ভুত চুরির খবর পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝাঁসি জেলারই একটি বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তাতেই দুষ্কৃতিদের পর্দা ফাঁস। বাড়িটি থেকে বন্দি সাত যুবককেও উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা ।

মুক্ত হওয়ার পর ওই যুবকেরা পুলিশকে জানিয়েছে, তাদের আটকে রেখে জোর করে শরীর থেকে রক্ত নিয়ে বিক্রি করছিল দুষ্কৃতিরা । ওই বাড়ি থেকে বেশ কয়েক ইউনিট রক্ত ও রক্ত সংগ্রহের প্রচুর কিট উদ্ধার হয়েছে বলে আমােদেরসময়.কমের খবরে বলা হয়েছে।

তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, অনুপ গুপ্তা নামে এক যুবক ও তাঁর সঙ্গীরা এই চক্র চালাচ্ছিল। ব্যবসা চালাতে রক্ত সংগ্রহের জন্য এই ৭ যুবককে আটকে রাখা চালাও অচেনা লোকের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে মাদক খাইয়ে চলত রক্ত চুরির অভিযান ।

পুলিশের অনুমান, এই চক্রের সঙ্গে কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মচারিদেরও যোগ আছে । কোন কোন ব্লাড ব্ল্যাঙ্কে রক্ত বিক্রি করা হত এবং কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত তা জানতে চেয়ে ধৃতদের জেরা করছে তদন্তকারীরা।

ট্যাগ: