banglanewspaper

অতি উত্তম একটি প্রচারণা। নেশাগ্রস্থ অবস্থায় গাড়ী চালাবেন না। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে এই সতর্কতা বাণীর বোর্ড গুলো।
তবে কি নেশা করা এদেশে  সহজ বা উন্মুক্ত ?

যার কারণে পুলিশ বাহিনী এই ধরণের প্রচারণা চালাতে বাধ্য হচ্ছে। এই সতর্কতা কি নেশা করা বন্ধ করার ইঙ্গিত দিচ্ছে? নাকি নেশা করার পরে সতর্ক থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে ? আইনের ছাত্র হয়েও আমি দ্বিধা দণ্ডের মধ্যে আছি। 

নেশা দ্রব্য কি ঢাকাতেই তৈরী হচ্ছে নাকি ঢাকার বাইরে থেকে আসছে ? যদি ঢাকাতেই তৈরী হয়, তবে তা কিভাবে সম্ভব হচ্ছে ? আর যদি ঢাকার বাইরে থেকে আসে, তবে তা কিভাবে ঢাকায় ঢুকছে ?

এই ধরণের সতর্ক সংকেত মানে কি, এদেশে নেশাজাত দ্রব্য সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে  । এই ধরণের সতর্কতা বাণী দিলেই কি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
দেশে সব ধরণের নেশা দ্রব্য গুলো আসে সীমান্তের ওপার থেকে। যদিও আমাদের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনী বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করছে। কিন্তু তারা কতটা এই মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে পেরেছে তা বোঝা যাচ্ছে রাস্তার মোড়ে মোড়ে এই সতর্ক বাণী গুলো দেখে। 

আজ যুব সমাজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। শুধু যুব সমাজ নয় দেশের ভবিষ্যৎও ধ্বংসের মুখে। শুধু দেশের আইন সৃঙ্খলা বাহিনী নয় এগিয়ে আসতে হবে দেশের প্ৰত্যেক নাগরিককে। তবেই সম্ভব হবে দেশের অগ্রগতিকে আরো বেগমান করা। মাদক যেমন মানুষকে নষ্ট করে তেমনি একটি দেশের ভিতকেও নষ্ট করে।
আসা করি আমাদের আইন সৃঙ্খলা বাহিনী তাদের প্রচার প্রচারণা ও কর্মকান্ডের উপর আরো দায়িত্বশীল হবেন। সব শেষে বলতে চাই  ' মাদককে না বলুন ' ।

লেখক: মো : শরিফুল হক তুমুল

 

 

 

 

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: