banglanewspaper

প্রতিদিনের খাবারে সালাদ বা খাবারের অনুষঙ্গ হিসেবে শশার কদর বেশি হলেও পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে শশা মোটেও পিছিয়ে নেই। শশাতে  ক্যালরি কিছুটা কম, তবে প্রতি ১০০ গ্রাম শশায় খাদ্য আঁশ আছে ০.৬ গ্রাম, শর্করা ৩.৬১ গ্রাম, চিনি ১ দশমিক ৬৮ গ্রাম। এতে আছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি। শশার আরও যেসকল গুণাগুণ রয়েছে তা হলো–
ক্যালরি কম থাকার কারনে ওজন কমানোর জন্য শশা খুব বেশি ব্যবহৃত হয়। শশা দেহ থেকে অতিরিক্ত ফ্লুইড বের করে দেয় শশা, ফলে সহজে ক্লান্তিবোধ দূর হয়। এটি নিয়মিত খেলে বাড়তি ফ্যাট সেল ভেঙ্গে যায়। ফলে ওজন বাড়া বা মোটা হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
শশা খেলে আলসার দূর হয় বুকের জ্বালা কমায় এবং অ্যাসিডিটি সারায়।

প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় শশা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। সাহায্য করে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণেও। শশা ত্বকের শুষ্কতা দূর করে, শশার রস চোখের চারপাশে লাগালে বলিরেখা দূর হয় ও বার্ধক্য রোধ করে। শশার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।

শশায় পানি এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মৃদু মাত্রার মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। শরীরের জমানো ক্ষতিকর ও বিষাক্ত উপাদানগুলো অপসারণ করে রক্তকে পরিষ্কার রাখে।

দাঁতের রোগ বিশেষ করে পাইরিয়ার সমস্যার কমবেশি সমাধান ঘটায়। এর কষ ও রস কিডনি সমস্যা দূর করে। মূত্রনালীর প্রদাহ কমায়। প্রতিদিন শশার জুস খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

শশা শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে, শরীর শীতল রাখতে সহায়তা করে।
আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে শশায় আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, যা আমাদের স্নায়ুর ক্ষতিগ্রস্ততাকে কমিয়ে “আলঝেইমার ডিজিজ”-এর মত রোগও নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

ট্যাগ: