banglanewspaper

আবু সাইদ, সাতক্ষীরা: পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জ উপকূলীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে হরিণ শিকারীর দল অতি মাত্রায় তৎপর হয়ে উঠেছে। সুন্দরবনে বনদস্যু বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে প্রশাসন যখন তৎপর সেই সুযোগে হরিণ শিকারীর বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।  

উপকূলীয় অঞ্চলের একাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,খানিকটা প্রকাশ্যেই চলছে সুন্দরবনে হরিণ শিকার। ৩০ জুলাই কালিঞ্চীতে হরিণ শিকার ও মাংস কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ১৫জন গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।  

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিঞ্চী গ্রামের কাদের গাজী ও গোকুল সংঘবদ্ধ শিকারীর দলের সহযোগিতা নিয়ে হরিণ শিকার করে লোকালয়ে নিয়ে আসেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা কৈখালী বন অফিসে খবর দেয়। কৈখালী বন অফিসের এফজি মিজানুর রহমান দলীয় সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আগে থেকেই জানতে পেরে শিকারির দল সব কিছু লুকিয়ে ফেলে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে খালি হাতে ফিরে আসে বন বিভাগের কর্মকর্তারা।  

সুন্দরবনে র‌্যাব-৬ ও র‌্যাব-৮ এর নানামুখী উদ্যোগে বনদস্যু বাহিনী একের পর এক আত্মসমর্পণ করেছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শিকারিরা তৎপর হয়ে উঠেছে।  এ বিষয়ে এফজি মিজানুর রহমান বলেন,‘হরিণ শিকারের কথা জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু অভিযানে কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সরকার বন্দুকের অনুমতি দেয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য সুন্দরবনে হরিণ শিকার করার জন্য নয়।’

ট্যাগ: