banglanewspaper

শিক্ষক শব্দটির সাথে জড়িয়ে রয়েছে সম্মান, মহানুভবতা, বিশ্বস্ততা এবং যাবতীয় ভালো গুণাবলীর এক সম্ভার। আমাদের সমাজে শিক্ষকতা পেশাকে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হয় সেই প্রাচীনকাল থেকেই। কারণ অতীতে যারা শিক্ষক বা পণ্ডিত ছিলেন তারা একেকজন ছিলেন দেবতা স্বরূপ। আগেকার দিনের শিক্ষকদের সচিত্র দেখতে পাওয়া যায় ‘হীরক রাজার দেশে’ সিনেমাটিতে।

সাম্প্রতিক সময়ে পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে কোন না কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ। শুধু তাই নয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি, ধস্তাধস্তিসহ বিভিন্ন শিরোনামে আমাদের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে লেখা হয় পত্রিকাগুলোতে। আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় ‘ঢাকার মাস্তান, ঢাকা ভার্সিটির মাস্তান’ শিরোনামে শিক্ষকের হুঙ্কার দেওয়ার ভিডিও, যা শিক্ষক সমাজ নয় গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি (শিক্ষক) বলছেন, পুলিশ ডাকলে তোরে মাইরা ফাটাইয়া ফালাইব। ভেতরে যিনি বসে আছেন তিনিও শিক্ষক, আমিও শিক্ষক। তোর গাড়ি ভাইঙ্গা তুলে দিব আমি। রাস্তার মাস্তান না, ঢাকার মাস্তান আমরা। তুই গাড়িটা লাগাইছস, তুই স্বীকার কর, গাড়িটা লাগাইছি। পায়ে ধইরা মাফ চা। ……এরপর ওই ব্যক্তি ‘শিক্ষকের’ পা ধরে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইলে ওই ‘শিক্ষক’ তাকে মাফ করেন ও ছেড়ে দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যার কাছ থেকে পাওয়া এই ভিডিওটি তিনি তার ওয়ালে লেখেন শিক্ষক জাতিকে কলঙ্কিত করলেন আপনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের কাছে এই জঘন্য ব্যবহার আশা করিনি।

বিদ্যা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর হল বিশ্ববিদ্যালয়। আর সেখানেই এই সব অনিয়ম-অভিযোগ লাগামহীন। আমার জানা মতে দেশের এমন কোন বিশ্ববিদ্যালয় নেই যেখানে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ নেই। শুধু যৌন হয়রানি নয়, মানসিক হয়রানিতেও ওস্তাদ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কতিপয় শিক্ষক। শিক্ষকদের হাতে নির্দিষ্ট কিছু নম্বর থাকে যেটা শিক্ষক চাইলে কোন ছাত্রকে বেশি আবার কাউকে কম নম্বর দিতে পারেন। এই ক্ষমতার কারণে কিছু শিক্ষক আবার স্বেচ্ছাচারিতাও করেন। নয়টার ক্লাস পাঁচটায় নেওয়া, একরাতে এ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়া, প্রতিনিয়ত প্রেজেন্টেশনের নামে ছাত্রীদের শাড়ি পরে আসতে বাধ্য করা ইত্যাদি। যদি কেউ তার কথার বাইরে গিয়েছে, তাহলে তার জীবন শেষ, ক্লাসে খারাপ ব্যবহার থেকে শুরু করে পরীক্ষায় নম্বর কম দেওয়া ইত্যাদি নানা রকম কাজ একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক করতে পারেন কোন রকম জবাবদিহিতা ছাড়াই। প্রতিবাদ করেই বা কি হবে, সবাই যখন মেনে নিচ্ছে তাহলে আমার প্রবলেম কোথায়? এই ঘটনা প্রায় প্রতিটি ক্যাম্পাসে বিদ্যমান।

এবার আসা যাক শিক্ষক রাজনীতির কথা, একজন শিক্ষকের রাজনীতির উর্ধ্বে থেকে ছাত্রদের পাঠদান দেওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি। আমি এটা বলতে চাই না যে শিক্ষকেরা রাজনীতি করবেন না। বলতে চাই শিক্ষকদের সেই রাজনীতির প্রভাব যেন শিক্ষার্থীদের উপর না পড়ে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী কোন না কোন শিক্ষককে অনুসরণ করে, সেই শিক্ষককে সে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে। এতে করে ঐ শিক্ষকের সাথে অন্য যে সকল শিক্ষকদের সাথে সম্পর্ক ভালো নয় তারা সেই শিক্ষকের অনুসারী শিক্ষার্থীদেরকেও বাকা চোখে দেখেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রপ্রতিনিধির অংশগ্রহণ ছাড়া উপাচার্য প্যানেল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রতি হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় শিক্ষকদের আক্রমণাত্মক ও মারমুখী অবস্থার বিভিন্ন ছবি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এ ঘটনাকে নজিরবিহীন বলেও আখ্যা দিয়েছেন অনেকে। এই ঘটনা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়টির সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন এই অবস্থা তখন অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এর চেয়ে আর ভালো কিছু কি আশা করা যায়।

এর আগে, গত মে মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি, নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, গতিরোধক ও পদচারী সেতু (ফুটওভার ব্রিজ) নির্মাণসহ কয়েকটি দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের হামলার শিকার হন শিক্ষার্থীরা। ঘটনার জের ধরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা উপাচার্যের বাসভবনে ভাংচুর চালান। এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুধু ঢাকা কিংবা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, একসময় গুরু কিংবা শিক্ষকের মুখনিঃসৃত বাক্য অক্ষরে অক্ষরে পালন করত শিষ্য বা শিক্ষার্থীরা। দু’পক্ষের মধ্যকার সম্পর্ক ছিল হৃদ্যতাপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় এ সম্পর্কের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। ভালোবাসা ও আন্তরিকতার পরিবর্তে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কে জায়গা নিচ্ছে বৈরিতা। বিশেষত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের অবনতিকে উচ্চশিক্ষার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন তারা।

গত কয়েক মাসে দেশের কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেছে। গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) ক্যান্টিনে খাবার খেতে গিয়ে শিক্ষার্থীর দুর্ব্যবহারের শিকার হন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এক শিক্ষক। ক্যান্টিনে কর্মচারীদের গালিগালাজ করলে ওই শিক্ষার্থীকে মার্জিত ভাষায় কথা বলার অনুরোধ করেন তিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকের সঙ্গেও ওই শিক্ষার্থী দুর্ব্যবহার করেন। 

ঢাকার বাইরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষক লাঞ্ছনার কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। গত ২৮ জানুয়ারি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের একজন শিক্ষক কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে লাঞ্ছনার শিকার হন। ওই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ভিসি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষক।

গত মার্চে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবির) সপ্তম সেমিস্টারের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে পাঁচ শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন অনুষদের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের ওপর আরোপিত প্রবেশন তুলে নেয়ার দাবিতে ক্লাস বন্ধ করে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকরা তাদের আন্দোলন বন্ধের আহ্বান করতে গেলে লাঞ্ছনার শিকার হন।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের একজন শিক্ষককে অন্যান্য শিক্ষার্থীর সামনে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া যায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একজন নেতার বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি যেন ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলীয় রাজনীতির মত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন নিজ বিভাগের সহকর্মী রুখসানা পরভীন।

এবার আসা যাক শিক্ষক কতৃক শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রসঙ্গ। কিছুদিন আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন একই বিভাগের এক ছাত্রী। এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর আবেদন করেন তিনি। ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ঐ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এদিকে ময়মনসিংহের কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন ওই শিক্ষকেরই এক ছাত্রী। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ত্রিশাল থানায় একটি মামলা করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়। ওই শিক্ষকের নাম প্রফেসর সাহাদাৎ হোসেন। গত বছরের ২৭ জুন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দুই ছাত্রী প্রফেসর সাহাদাতের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। তখন ওই শিক্ষককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী নির্যাতনবিরোধী সেলকে। তদন্তে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। 

গত কয়েকদিন আগে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিজের ডিপার্টমেন্টের এক ছাত্রীকে মানসিক নির্যাতন ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

একজন শিক্ষক যখন অপমানিত হয়, একজন শিক্ষক যখন কানে ধরে, গোটা জাতি তখন কানে ধরে তার প্রতিবাদ যানায়। কিন্তু একজন শিক্ষক যখন যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চাকুরীচ্যুত হন তখন শিক্ষক সমাজের সম্মান কথায় গিয়ে দাঁড়ায়?

প্রাচীনকালে গুরুর কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করত শিষ্যরা। গুরুর মুখনিঃসৃত বাক্য অক্ষরে অক্ষরে পালন করত শিষ্যরা। গুরুর কথার অন্যথা কখনো ভাবতে পারত না তারা। শিষ্যদের কাছে গুরু ছিলেন সাক্ষাৎ দেবতা। সে যুগ এখন আর নেই। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের ধরন ধারণ পালটে গেছে অনেকখানি, সময়ের প্রয়োজনে। এখনকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্কটা কেমন?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে জ্ঞানচর্চা হওয়ার কথা, সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। যৌথ অংশগ্রহণমূলক এ কাজ করতে হলে উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক থাকলে যথাযথ জ্ঞানচর্চা সম্ভব নয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়কেই এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষকদের উচিত ভালোবাসা দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে টেনে নেয়া। আর শিক্ষার্থীদের উচিত শিক্ষকদের সম্মান করা।

অতীতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের সুসম্পর্ক, দায়িত্বশীলতা, ন্যায়পরায়ণতা ও রাষ্ট্রের বৃহৎ কল্যাণে যে কোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা এখন অনেকটাই ইতিহাস। দলীয় ক্যাডারবাজি, চাটুকারিতা আর নোংরা রাজনীতির প্রভাব এতটাই প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, পিতৃসমতুল্য শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা শিক্ষক-শিক্ষর্থীদের এরুপ আচরণ থেকে কি শিক্ষা গ্রহণ করবে?

লেখক : মোঃ রেজোয়ান হোসেন

এম এস এস শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: