banglanewspaper

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা : যৌতুক না দেওয়ায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের এক গৃহবধূকে মারধরের পর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  তার স্বামী গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সোনাইডাঙ্গা গ্রামের আজিজুল ইসলাম গতকাল রাত ২টার দিকে এ চেষ্টা চালায়।

নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ নাজমা আক্তার গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনার পরপরই স্বামী আজিজুল হক পালিয়ে যায়। 

নাজমার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, বাবা-মা হারা নাজমা এক সময় ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করতো। বেশ কিছুদিন আগে নেত্রকোনার আজিজুলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর নির্যাতনের কারণে নাজমা স্বামীকে ছেড়ে গোবিন্দগঞ্জের সোনাইডাঙ্গা গ্রামে মামার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। রোববার গভীর রাতে আজিজুল ঘরের বেড়া ভেঙে নাজমাকে বাড়ির বাইরে বের করে তার গলাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাত করে। এক পর্যায়ে নাজমা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আজিজুল পালিয়ে যায়। টের পেয়ে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় নাজমাকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, নাজমাকে নির্যাতনের ঘটনা তিনি শুনেছেন। তবে সোমবার সকাল পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। 

তবে নাজমার আত্মীয় তহুরা বেগম জানান, নাজমা সুস্থ হলেই তারা আজিজুলের বিরুদ্ধে মামলা করবে। বিয়ের পর থেকেই আজিজুল যৌতুকের জন্য নাজমাকে নির্যাতন করে আসছে। নির্যাতন সইতে না পেরে নাজমা তার মামার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এস এম আই শাহিন বলেন, নাজমার গলার আঘাত খুবই গুরুতর। শরীরের অন্য আঘাতগুলোও নাজমাকে ভোগাচ্ছে। 

ট্যাগ: