মানহানি ও দুর্নীতির অভিযোগে পৃথক দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার পৃথক দুটি আদালত এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলা দুটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’, বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকাকে ‘অপমানিত’ করার অভিযোগে দায়ের করা মানহানির মামলা এবং এতিমদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫–এর বিচারক আখতারুজ্জামান ও ঢাকার মহানগর হাকিম নুর নবী গ্রেপ্তারি এ আদেশ দেন।

গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এবি সিদ্দিকী মানহানির এই মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই আদালত ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে তেজগাঁও থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে তেজগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান মামলার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

আদালত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়াকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া খালেদা জিয়া ৫ অক্টোবরের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করায় আজ ১২ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির দিন ধার্য ছিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সঙ্গে জোট করে রাজাকার আলবদর নেতা-কর্মীদের মন্ত্রী এমপি বানিয়ে তাদের বাড়িতে ও গাড়িতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্র তুলে দেন খালেদা জিয়া।