banglanewspaper

এমপি-মন্ত্রী ও নেতারা সারাক্ষণ বিজি প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা কিভাবে অর্জন করা যায়। প্রধানমন্ত্রীর কাছের লোক হতে পারলে কর্মীরা এমনিতেই জোয়ারের মত পিছনে পিছনে ঘুরবে মাঠে পরিশ্রম লাগবে না। কর্মীদেরকে ভালবাসতে হবে না। গ্রাম, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত একই সুর বাঁজে কিভাবে স্থানীয় নেতা, জেলার নেতা, কেন্দ্রীয় নেতার কাছের মানুষ হওয়া যায়।

নেতাকে সালাম দেওয়া মানে হাজিরা দেওয়া এখানেই রাজনীতি সীমাবদ্ধ। মাঠের কর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রয়োজন আর এখন হয় না। তীর্থের কাকের মত মাঠের কর্মী ও এ দেশের সাধারণ মানুষ এখনও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আছে। শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রেমি নেতার অভাব। এদের কে শুধু আন্তরিকতা দিয়ে জয় করা যায় টাকায় কিনা যায় না। টাকা ওয়ালা নেতারা হুশিয়ার সাবধান।

মিছিল-মিটিংয়ে দলের টানে যাওয়া হয় না। মিছিলে যাওয়ার পর নেতা দেখল কিনা ঘুরেঘুরে সামনে গিয়ে সালাম দেওয়া, সালাম শেষে চলে যাওয়া। মিছিল আরম্ভ হয় অনেক লোক নিয়ে, শেষ হয় গুটি কয়েক লোক নিয়ে। এখানে আদর্শ অনুপস্থিত।

বঙ্গবন্ধুর কর্মীরা মিছিল, মিটিং শেষ করে পরবর্তী প্রোগ্রাম ও কৌশল বিনিময় করে বিদায় নিতেন। নব্য, হাইব্রীড ও বহিরাগতরা আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে ব্যাকডেটেড মনে করে। অর্থ, বানিজ্য ও টাকা আসার পথকে রাজনীতি মনে করে। তাদের চাপে প্রকৃত আওয়ামী লীগার ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীরা কোনঠাসা।

বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির সামান্য একটু অংশ ঠান্ডা মাথায় বিশ্লেষন করলে আওয়ামীলীগ ও বালাদেশ দেউলিয়া হবে না। নেতা শেখ মুজিবুর রহমান, ৬ দফা, বঙ্গবন্ধু, ৭ই মার্চের ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধ, রণসঙ্গীত, বাংলাদেশ, জাতির পিতা। বই পড়েও কেউ কোন দিন দেউলিয়া হয় না।

#জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

লেখক

হারুন অর রশিদ

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: