banglanewspaper

রুমেল আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ের একটানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫টি ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়ক ও উপসড়কের বেহাল দশা হয়েছে। সড়কগুলোর ভয়াবহ ভাঙনের ফলে এখনও পর্যন্ত রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, টমটমসহ ছোট গাড়ি চলাচল করতে পারছে না।

ফেঞ্চুগঞ্জে মাইজগাঁও-সারকারখানা ও মাইজগাঁও-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কে দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের মধ্যে বড় বড় গর্ত থাকায় বৃষ্টির পানিতে এই সড়ক গুলোতে জলাশয় জলাবদ্ধতা সৃষ্ট হয়েছে। দীর্ঘদিন এই রাস্তায় স্থায়ী কাজ না হওয়াতে রাস্তার মধ্যখানে ছোটবড় গর্তে পরিণত হয়েছে।

এতে এস রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীরা প্রতিদিন সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মাইজগাঁও-সারকারখানার এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ সহ পিপিএম উচ্চ বিদ্যালয়, এনজিএফএফ উচ্চ বিদ্যালয়, হিরো চাইল্ড একাডেমী, মশাহিদ আলী বালিকা মাদ্রাসার প্রায় এক হাজার ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন যাতায়াত করেন। তাছাড়া সারকারখানা সড়ক দিয়ে ভাটেরা-সিলেট বাস চলাচল করে।

রাস্তা ভাঙ্গার কারণে যেকোনো মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা কবলে পড়তে পারে এসব বাস। রাস্তার বিরাট অংশে ছোটবড় গর্ত খালখন্দ থাকায় কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে হেলেদুলে বাস চলাচল করে। এদিকে মাইজগাঁও-ফেঞ্চুগঞ্জের ব্যস্ততম সড়কের অবস্থা নাজুক। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে স্কুল কলেজ সহ কয়েক হাজার যাত্রীরা যাতায়াত করে থাকেন।

মাইজগাঁও থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে রাস্তা ভাল হলে সময় লাগতো ৩-৪ মিনিট কিন্তু এখন রাস্তা ভাঙ্গার কারণে সময় তিনগুণ বেশি লাগে। এসব সড়কগুলো ভাঙ্গা থাকার কারণে যানবাহনে হরহামেশা যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এতে করে নিম্ন আয়ের ড্রাইভাররা রীতিমত পড়েন বিপাকে। রাজনপুর জামে মসজিদে সামনে রাস্তায় বড় বড় গর্ত হওয়ায় গাড়ি উল্টে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটে।