banglanewspaper

ডেস্ক রিপোর্ট : যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’য় কর্মরত বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা তার যুগান্তকারী আবিষ্কার দিয়ে জিতে নিয়েছেন ২০১৭ সালের নাসার সেরা উদ্ভাবন পুরস্কার। মহাকাশে সহজে ব্যবহার করা যাবে, এমন ছোট ও যুগান্তকারী প্রযুক্তির যন্ত্র আবিষ্কারের জন্যই এ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। 

মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে নাসা গডার্ডের অফিস থেকে বার্ষিক এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। নাসা গডার্ডের প্রধান কর্মকর্তা পিটার হিউজেস বলেন, এ বছর মাহমুদা সুলতানার মতো মেধাবীকে ‘ইনভেন্টর অব দ্য ইয়ার’-এ মনোনীত করতে পেরে আমরা গর্বিত।

নাসার সাময়িকী Cutting Edge এর লেটেস্ট ইস্যুর প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করা হয়েছে মাহমুদাকে নিয়ে। তিন পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে শুধু তাকে নিয়ে নাসার বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের মুগ্ধতার বন্যা।

যেমন নাসা গডার্ডের চিফ টেকনলজিস্ট বললেন- “এত অল্প সময়ে এত বেশি দক্ষতা সে দেখিয়েছে গবেষণা আর আবিষ্কারে, আমি শুধু কল্পনাই করতে পারি ভবিষ্যতে কি করবে। আমরা ভাগ্যবান যে সে আমাদের সাথে কাজ করতে এসেছিলো।”

তার সহকর্মী, নাসার আরেক টেকনোলজিস্ট তাকে নিয়ে বলে, “মাহমুদার মধ্যে আমি একজন প্রফেশনাল তরুনীকে দেখি যে নাসাতে অনেকদূর যাবে।” 

চিফ টেকনলজিস্ট টেড সোয়ানসনও মনে করেন, “একজন সফল আবিষ্কারক হবার সব গুণ আছে তার মধ্যে।”

পুরষ্কারের ঘোষণায় মাহমুদা সম্পর্কে বলা হয়- “Mahmooda has distinguished herself as a tenacious, creative thinker, impressing virtually everyone with her technical acumen and drive” মূলত মহাকাশে সহজে ব্যবহার করা যাবে এমন ছোট ও যুগান্তকারী প্রযুক্তির যন্ত্র আবিষ্কারের জন্যই এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে গবেষণা প্রকৌশলী হিসেবে নাসায় যোগ দেন মাহমুদা। এর আগে, রিসার্চ অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন, বিখ্যাত বেল ল্যাবরেটরিতে। কোয়ান্টাম ডট প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন আলোর তরঙ্গ নিয়েও গবেষণা করেছেন তিনি। ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আন্ডার গ্রাজুয়েশন করেন মাহমুদা সুলতানা। ছোটবেলায় পরিবারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান তিনি।

ট্যাগ: