banglanewspaper

ক্রীড়া ডেস্ক : মেলবোর্ন টেস্টে নিজেদের পতন ঠেকাতে পারলেও স্টিভ স্মিথকে ঠেকাতে পারেনি ইংল্যান্ড। আর সে কারণেই ৮ বছর পর সুযোগ পেয়েও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জেতা হয়নি ইংলিশদের। অ্যাশেজ চতুর্থ ম্যাচে অজি অধিনায়কের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতেই জয়বঞ্চিত সফরকারীরা। ড্র ম্যাচে ক্যারিয়ারের ২৩তম সেঞ্চুরি তুলে নেন স্মিথ।

প্রথম ইনিংসে ৪৯১ রানের পর জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল সফরকারী ইংল্যান্ড। কিন্তু স্মিথের সেঞ্চুরির সঙ্গে ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের চমৎকার দুটি ইনিংসে জয়ের স্বপ্ন মিলিয়ে যায় ইংল্যান্ডের। ৪ উইকেটে ২৬৩ রানে যখন দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেন স্মিথ, তখন অস্ট্রেলিয়ার লিড ৯৯ রানের। দিনের খেলা আর ১০ ওভারের মতো বাকি থাকলেও ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট ড্র মেনে নেন।

অ্যালিস্টার কুকের হার না মানা ২৪৪ রানের ইনিংসের ওপর ভর দিয়ে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েছিল ১৬১ রানের। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে ফেরায় অস্ট্রেলিয়া আর ঝুঁকি নেয়নি। লক্ষ্যই ছিল তাদের ড্রয়ের। সেই লক্ষ্যে ওয়ার্নার ও স্মিথ ব্যাট করেছেন চতুর্থ দিনে। শেষ দিনেও তারা খেলেছেন ধীরগতিতে। এতটাই যে ওয়ার্নার মেলবোর্ন টেস্টে হাফসেঞ্চুরি করতে লাগিয়ে দিয়েছেন ১৬১ বল, যার তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সবচেয়ে মন্থর হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ২২৭ বলে ৮৬ রান করে এই ওপেনার প্যাভিলিয়নে ফেরেন রুটের বলে।

ওয়ার্নারের আউট হওয়ার পরপরই শন মার্শ ফিরে গেছে জয়ের স্বপ্ন নতুন করে দেখতে থাকে ইংল্যান্ড। লাঞ্চে যাওয়ার আগমুহূর্তে তারা ৪ উইকেট তুলে নিলেও তাদের উল্লাস মাটি করে দিয়েছেন স্মিথ ও মার্শ। আর কোনও উইকেটই হারাতে দেননি তারা। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক আবার তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৩তম সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে ২০১৭ সাল শেষ করতে যাওয়া স্মিথ চলতি বছরে পেয়েছেন ৬ সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তিনি ২৭৫ বলে অপরাজিত ছিলেন ১০২ রানে।

রানের হিসাবে হয়তো মিচেল মার্শের ইনিংসটা এমন কিছু মনে হবে না। তবে পরিস্থিতির দাবি মিটিয়ে এই অলরাউন্ডারের খেলা ইনিংসটি সেঞ্চুরির চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর স্মিথের সঙ্গে জুটি গড়ে শেষ পর্যন্ত খেলেছেন ১৬৬টি বল, যেখানে ড্র হওয়ার আগে অপরাজিত ছিলেন ২৯ রানে।

ট্যাগ: Banglanewspaper স্টিভ স্মিথ ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ