banglanewspaper

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চল দিয়ে ঢুকছে হিমালয় ঘেষা সাইবেরিয়ান হিমেল হাওয়া। কনকনে বাতাসের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। দেশের অনেক এলাকায় দিনের বেলায়ও গাড়ি চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। শুক্রবার দিনভর মেলেনি সূর্যের দেখা। এ ধারা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

শুক্রবার আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, কিছু জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে। যশোর, কুষ্টিয়া চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদীতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। এ অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি, চুয়াড‍াঙ্গায় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি, কুষ্টিয়ায় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি ও ঈশ্বরদীতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়া, শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি, রাজশাহীতে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি, বগুড়ায় ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি, সৈয়দপুরে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি, সাতক্ষীরায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্র জানায়, জানুয়ারির তিন তারিখের পর দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ বাড়তে পারে শীতের দাপট।

আবহাওয়া অধিদফতর সহকারী পরিচালক সানাউল হক মণ্ডল জানান, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আগামী দু’ থেকে তিন দিন স্থায়ী হবে। এছাড়া জানুয়ারির তিন তারিখের পর ফের দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

রাজধানীতে শুক্রবার হঠাৎ শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে সানাউল হক মণ্ডল বলেন, অতিরিক্ত কুয়াশা ও তাপমাত্রা কম হওয়ার কারণে শৈত্যপ্রবাহ মনে হচ্ছে। তবে ঢাকায় শৈত্যপ্রবাহ চলছে না। শীতের বর্তমান পরিস্থিতি আরো দু’ থেকে তিন দিন চলবে। কারণ হিমালয়ের গা ঘেঁষে সাইবেরিয়ান কনকনে শীতল বায়ুপ্রবাহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে।

শুক্রবার ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

ট্যাগ: