banglanewspaper

এম.পলাশ শরীফ: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দলীয় ও স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে সড়ক নির্মানের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলজিইডি’র অধীনে উপজেলার উত্তর চিংড়াখালী ও পূর্ব চিপা বারইখালী গ্রামে পৃথক দুটি সড়ক নির্মানে এমন অভিযোগ মিলেছে।

উভয় ঘটনায় অসহায় ও বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আশিক ইয়ামিন বৃহস্পতিবার এ প্রতিনিধিকে বলেন, দুটি কাজই স্থানীয় নেতা ও প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা নিয়ন্ত্রন করছেন। তারা কোন নির্দেশ মানছেনা।

তাই কাজ বন্ধ রাখাসহ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের রবাবরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। সড়ক দুটির নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কাদা-মাটি, পরিত্যাক্ত ভবন ভাঙ্গা খোয়া, রাবিশ ও নিন্মমানের ইট।

জানা গেছে, উত্তর চিংড়াখালী গ্রামের ‘পেয়ারী মন্ডলের হাউজ টু কালিখোলা ভায়া পলুদেবনাথের হাউজ’ নামে সোয়া এক কিলোমিটার একটি পিচ ঢালাই সড়কের অনুমোদন দেয় কর্তৃপক্ষ। আব্দুল আলিম নামে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। কাজের মেয়াদ গত নভেম্বরে শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ওই সড়কে বালু ফিলিংও শেষ হয়নি।

ইতোমধ্যে সড়কে ঢালা হয়েছে সর্বোচ্চ নিন্মমানের খোয়া। এসব দেখে স্থানীয়রা অভিযোগ তুললে উপজেলা প্রকৌশলী সরেজমিনে দেখে খোয়া পরিবর্তনসহ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এখানে প্রকল্পের ডিজাইনও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল আলিম এর ছেলে নাজমুল হাসান বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। খোয়া পরিবর্তন করে আবার শুরু করা হবে।

অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে খাউলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চিপাবারইখালী গ্রামে নির্মানাধীন সোয়া দুই কিলোমিটার একটি কার্পেটিং সড়ক নিয়ে। সেখানেও ব্যাবহার করা হচ্ছে পরিত্যাক্ত ভবনের ভাঙ্গা খোয়া ও রাবিশ।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আশিক ইয়ামিন বলেন, এ সড়কের কাজও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কিন্তু তারা মনছেন না।

ট্যাগ: Banglanewspaper মোরেলগঞ্জ সড়ক নির্মাণ দুর্নীতি