banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিনিধি: জরাজীর্ণ পোশাক পরে রাস্তায় প্রায় ঘুরত মেয়েটি। গত দুই বছর যাবত মানবেতর জীবন কাটছিলো মানসিক ভারসাম্য হারানো মেয়েটি। পাগল বলে কেউ তার কাছে আসতো না।

সব খোঁজ খবর নিয়ে শামীম আহমেদ নামে একজন তাকে সুস্থ করার দায়িত্ব নেন।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় পুলিশের উপস্থিতিতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন। সেখানে দুই মাস চিকিৎসা করে সুস্থ করে তোলা হয়।

এরপর শুরু হয় মেয়েটির স্বজনদের খোঁজ খবর। ফেসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে শুরু হয় প্রচারণা। খুঁজে বের করা হয় মেয়েটির স্বজনদের।

জানা যায়, মেয়েটির নাম শিউলি রানি সরকার। ব্রাক্ষনবাড়ীয়া জেলার সরাইল উপজেলার দাউরিয়া গ্রামের সতীর্থ সরকারের মেয়ে সে। প্রায় পাঁচ বছর আগে নিখোঁজ হয়েছিলো শিউলি।

বিষয়টি নিয়ে স্যোসাল মিডিয়া জুড়ে চলছে ব্যাপক তোলপাড়। 

ইত্তেফাকের সিনিয়র সাংবাদিক আমির মোহাম্মদ জুয়েল তার ফেসবুকে ছবিসহ একটি পোষ্ট দেন।

সেখানে তরিকুল ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, কে ব‌লে ভা‌লো মানুষ নেই, শামীম ভাই‌য়ের ম‌তো এখ‌নো হাজারও ভা‌লো মানুষ আমা‌দের চারপা‌শে ছ‌ড়ি‌য়ে আ‌ছে। ধন্যবাদ আহ‌মেদ ভাই‌কে মে‌য়ে‌টি‌কে এক‌টি সুন্দর জীবন দেয়ার জন্য।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মির্জা মেহেদী তমাল লিখেছেন, আফসোস! কেনো যে শামিম আহমেদের মতো হলাম না।

আরেক জন লিখেছেন, এটাই মানব সৃষ্টির আসল উদ্দেশ্য।

এদিকে মেয়েটিকে সুস্থ করে স্বজনদের হাতে তুলে দেন দায়িত্ব নেওয়া শামীম আহমেদ। তিনি এখনো নিয়মিত খোঁজখবর নেন। শুধু তাই না ওষধ ও দিয়ে আসেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগ: Banglanewspaper সবাইকে কাঁদিয়েছে ব্যাক্তির মহানুভবতা