banglanewspaper

জিল্লুর রহমান, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে মাঠে চোখ জুড়ানো হলুদ ফুলের সমারোহ। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে প্রকৃতির রূপ। যেন হলুদ রঙে রাঙিয়েছে প্রকৃতি। আবাদে রোগবালাই কম হওয়ায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর সান্তাহারে ও আদমদীঘিতে সরিষার  বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। চারদিকে সরিষা ফুলের হলুদ রঙে ভরে উঠেছে ফসলের মাঠ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরিষায় ফল ধরতে শুরু করেছে। এ উপজেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে বৈরী আবহাওয়া সত্বেও বগুড়ার সান্তাহার ও আদমদীঘি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরিষার হলুদ ফুলে বর্ণিল সাজে সেজেছে মাঠ। সরিষা আবাদে তেমন রোগ বালাই না থাকায় ও কৃষি অফিসের সার্বক্ষনিক তদারকির কারনে এবারও সরিষার আবাদে আশানুরুপ ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে সরিষা ফসলে হলুদ বর্ণে রুপ ধারন করে অপরুপ সৌন্দর্যে ভরে উঠেছে মাঠ। কিছু কিছু মাঠে মৌমাছি চাষীরা ক্যাম্পিং করে মধু সংগ্রহ শুরু করেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি রবিশস্য মৌসুমে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার একটি পৌরসভা সহ ৬টি ইউনিয়ন মিলে ৩ হাজার ৩ শত ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ করা হয়। বিভিন্ন মাঠে ঘুরে দেখা গেছে সরিষা ফুলে মৌ মৌ গন্ধে অপরুপ সোভা ছড়াচ্ছে। ঝাকে ঝাকে মৌমাছিদের আগমনে ফুলে পলাগায়ন করছে।

কৃষকারা জানান, মৌমাছিদের পরাগায়নের ফলে ফলন বৃদ্ধি পায়। কিছু কিছু মাঠে মৌচাষীরা ক্যাম্পিং করে মধু সংগ্রহ করতে শুরু করেছে। তারা আরও জানায়, এখানকার কৃষকদের মধ্যে মৌমাছি চাষের প্রশিক্ষন দেয়া হলে মধু আহরন অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

স্থানীয় সরিষা চাষীরা জানায়, সরিষা চাষে রাসায়নিক সার, সেচ ও অন্যান্য খরচ কম লাগায় সরিষা চাষে লাভ বেশি হয়। তাই কৃষকরা সরিষা চাষে আগ্রহী বেশি। তাছাড়া এই আবাদ উঠার পর একই জমিতে ইরি ধান লাগানো হবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কামরুজ্জামান জানান, সরিষা আবাদে রোগবালাই কম হওয়ায় ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকার এবারও সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগ: Banglanewspaper সান্তাহার সরিষা