banglanewspaper

সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর মাথাব্যথা ও কাশির কারণে গলাব্যথা বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে, তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে জ্বর না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বরে আক্রান্ত রোগীর গা হালকা ঠান্ডা পানি দিয়ে দিনে কয়েকবার মুছে দিতে হবে। রোগীকে বেশি করে তরল খাবার দিতে হবে, পান করাতে হবে পানি। কোনোভাবেই যেন পানিশূন্যতা দেখা না দেয়। এ ছাড়াও স্বাভাবিক খাবার খেতে হবে।

ঠান্ডা জ্বরের লক্ষণ
১. মাথাব্যথা ও ক্লান্ত ভাব অনুভব করা। সারা শরীর ব্যথা করা।
২. নাক দিয়ে অনর্গল পানি পড়া ও চোখব্যথা।
৩.  নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৪. কম তাপমাত্রার জ্বর অনুভব করা।
৫. ক্ষুধা নষ্ট হওয়া।
৬.  হাঁচি ও সঙ্গে শুকনা কাশি।
৭.  কাশতে কাশতে গলা ও বুকে ব্যথা অনুভব করা।
৮.  মাঝেমধ্যে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
এমন পরিস্থিতিতে যা করণীয়

হাঁচি-কাশির সময় নাকে-মুখে টিস্যু, রুমাল বা হাত দিয়ে রাখবেন। যাতে ভাইরাস ছড়াতে না পারে। ব্যবহার করা রুমাল কিংবা টিস্যু দ্রুত নিরাপদ জায়গায় ফেলুন। নাক বা চোখে হাত দেবেন না। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস আলাদা করে ফেলুন। রাস্তাঘাটে, কর্মক্ষেত্রে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করুন।

চিকিৎসা
১. মুখে-নাকে সব সময় মাস্ক ব্যবহার করুন।
২. নিয়মমাফিক ভিটামিনযুক্ত খাবার, পরিমাণমতো পানি পান ও পূর্ণ বিশ্রাম নিলে এমনিতে এসব রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৩. এমসয় বেশি করে আদা ও লেবুর চা খান।
৪. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে কাশির সিরাপ বা অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়াই উত্তম।
৫. সকালে-বিকেলে কুসুম গরম পানিতে গড়গড়া করুন।
৬. অনেক সময় ভাইরাসঘটিত ঠান্ডা কাশি থেকেই সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয়। তাই অবস্থা বেশি সিরিয়াস মনে হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ট্যাগ: Banglanewspaper শীত সর্দি কাশি