banglanewspaper

জিললুর রহমান,আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: আদমদীঘির নারী চাতাল শ্রমিক মরিয়ম হত্যাকান্ডের মুল রহস্য উদঘাটন হয়েছে।

তালাক দেয়া স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে পুনরায় বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় পাষন্ড শফিকুল ইসলাম তার শ্বাশুড়ি মরিয়ম (৬০) কে লাঠি আঘাতে ও কুপিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে হত্যাকান্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

এই মামলার আসামী নিহতের প্রাক্তন জামাই কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার পুরাতন অনন্তপুর গ্রামের নুর মোহাম্মাদের ছেলে চাতাল শ্রমিক শফিকুল ইসলাম (৩০) গতকাল সোমবার বগুড়ার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারামতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয় বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক জানান।

উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারী দিবাগত রাতে আদমদীঘির ডহরপুর আনন্দ কুমার কুন্ডুর চাতালে নারী চাতাল শ্রমিক মরিয়ম বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানে সে মারা যায়। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের মেয়ে মনোয়ারা বেগমের তালাক দেয়া স্বামী শফিকুল ইসলামকে আটক করে।

এ ব্যাপারে নিহতের মেয়ে মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে প্রাক্তন স্বামী শফিকুল ইসলামকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গতকাল সোমবার আসামী শফিকুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হলে সে উপরোক্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবাববন্দী দেয়।

ট্যাগ: Banglanewspaper সাবেক স্ত্রী শ্বাশুড়িকে হত্যা