banglanewspaper

ডেস্ক নিউজ: জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) সহেলী ফেরদৌস গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ থাকায় আজ ডিআইজি মিজানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, যতো বড় কর্মকর্তাই হোক, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। ঘটনার তদন্ত করে দোষী প্রমাণিত হলে ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার!’ এমন শিরোনামে রোববার একটি জাতীয় পত্রিকায় তথ্য প্রমাণসহ বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ওই পত্রিকায় মরিয়ম আক্তার ইকো নামে এক তরুণীর দেয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ওই রিপোর্টটি ছাপা হয়। এতে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে তাকে তুলে নিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে করাসহ পুরো ঘটনার রোমহর্ষক বর্ণনা দেন ইকো।

প্রসঙ্গত, মরিয়ম আক্তার ইকো নামের এক নারী ব্যাংক কর্মকর্তা সম্প্রতি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, গত জুলাই মাসে তার বাসা থেকে তাকে কৌশলে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডে তার বাসায় নিয়ে তিন দিন আটকে রাখা হয়েছিল ওই নারীকে।

আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মাকে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় ডিআইজি মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে ওই নারীর সঙ্গে বসবাস করেছেন ডিআইজি মিজান।

নিজের ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি শেয়ারের পর ওই নারীর ওপর ক্ষেপে যান মিজান। বাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়। দুই মামলাতেই জামিনের পর ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তোলেন ওই নারী।

ট্যাগ: Banglanewspaper নারী কেলেঙ্কারি ডিআইজি