banglanewspaper

ডেস্ক নিউজ: সত্য আর বাস্তবের মধ্যে যে পার্থক্য আছে, তার সবচেয়ে করুণ উদাহরণ মনে হয় এটাই। যৌনপল্লীতে গিয়ে দালালের হাতে টাকা ধরিয়ে দেওয়ার পর একজন যৌনকর্মীর ঘরে যুবককে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারো মনে হতেই পারে যুবকের বদ মতলব রয়েছে।

কিন্তু ঘটনার পেছনের সত্য অনেক কঠিন। ওই যুবক তার বোনকে খুঁজে পেতেই বিহারের বেগুসরাই জেলার যৌনপল্লী বখরী এলাকায় গিয়েছিলেন। পছন্দ করা নারীর কক্ষে যাওয়ার খানিক বাদেই তিনি বের হয়ে যান।

তড়িঘড়ি করে আবারো ফিরে যান সেখানে। তবে এবার সঙ্গে পুলিশ নিয়ে যান তিনি। সেই নারীর ঘরের দিকে জোর কদমে চলতে থাকেন যুবক। পেছন পেছন পুলিশ।

যৌনপল্লীতে একবার যাওয়ার পর অনেকেই পছন্দের নারীকে বিয়ের বায়না ধরেন। তবে ওই নারী যে যুবকের আপন বোন! তিনি কি বোনকে সেখানে ফেলে যেতে পারেন!

পুলিশ ওইদিন আরো দু'জন নারীকে উদ্ধার করেছে সেখান থেকে। উদ্ধার হওয়ার পর ভাইয়ের সঙ্গে ফিরে গেছেন ওই নারী। পরে তিনি জানিয়েছেন, তিন বছর আগে অশোক খলিফা নামে এক ব্যক্তি সীতামাড়ী জেলা থেকে তাকে ফুঁসলিয়ে বুখরীতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে জোর করে যৌনকর্মী বানানো হয়েছিল।

তিনি আরো জানান, দুই সপ্তাহ আগে বাবার বাড়ির এলাকার এক ফেরিওয়ালা সেখানে যায়। তার মাধ্যমেই নিজের ভাইকে খবর পাঠায় ওই তরুণী।

তার ভাই জানান, ওই ফেরিওয়ালা আগেই আমার বোনকে জানিয়ে রেখেছিল আমার যাওয়ার ব্যাপারে। পরে খদ্দের সেজে গিয়ে বোনের সঙ্গে দেখা করি। পরে বোনের ঘরে গিয়ে জানায় যে, পুলিশ নিয়ে আসছি। তার পর তো বোনকে নিয়ে এসেছি।

বুখরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরৎ কুমার জানিয়েছেন, প্রতিমাকে উদ্ধার করার পরের দিনই মেডিকেল পরীক্ষা করিয়ে আদালতে পেশ করা হয়। তারপরেই তাকে তার বাবা-মায়ের হেফাজতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ থাকা নাসিমা খাতুনকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত অশোক খলিফা এখনো ফেরার। তাকে আটকের জন্য অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

ট্যাগ: Banglanewspaper যৌনপল্লী খুঁজ