banglanewspaper

এম. রহমান, ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহসহ ২০ জেলার মানুষের সহায়তায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শীতার্ত দরিদ্র মানুষের জন্য এরই মধ্যে ২৮ লাখ ১০ হাজার কম্বল ও ৮০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ১৮ লাখ কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডার থেকে। চলমান শৈত্যপ্রবাহে দুর্গতদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। শীতার্তদের জন্য গৃহীত এসব পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এ সময় বলেন, বরাদ্দকৃত সামগ্রী বিতরণে ২০ জেলায় মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর থেকে ২০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শীতপ্রবণ এলাকায় থাকবেন। আগামী কিছুদিন তাদের দপ্তরে দেখা যাবে না।

শীতপ্রবণ যে ২০টি জেলার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সেগুলো হলো দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, যশোর, ঝিনাইদহ, পাবনা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া।

এসব জেলার শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের সমন্বয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সব ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হবে এসব নিয়ন্ত্রণ কক্ষে। সে তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কয়েক দিন ধরেই দেশের ওপর দিয়ে ভয়াবহ শৈত্যপ্রবাহ বইছে। গত সোমবার তাপমাত্রা সর্বনিম্নে নেমে আসে।

ওইদিন দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে আসে ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য জেলায়ও তাপমাত্রা অস্বাভাবিক নেমে যায়। তবে গতকাল থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। দেশের সব জায়গাতেই তাপমাত্রা আগের চেয়ে বেড়েছে।

গতকাল তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫ দশমিক ৮ ও ঢাকায় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতে প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও শিশুরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকে জানিয়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী বলেন, দলমত নির্বিশেষে সবাইকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

ট্যাগ: Banglanewspaper ঝিনাইদহ শীত নিবারণ উদ্যোগ