banglanewspaper

রুমেল আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট): এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর চলতি বছরের প্রায় ৮ মাস বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিল। এখনো হাওরের পানি পুরোপুরি কমেনি। শীতের শুরুতেই এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকিতে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি। অতিথি পাখির কলকাকলিতে পাল্টে যাচ্ছে ছোট-বড় ২৩৮টি বিল ও ১০টি নদী নিয়ে গঠিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হাকালুকি হাওরের চেহারা।

ফেঞ্চুগঞ্জের হাওর পাড়ের বাসিন্দারা জানান, ইতোমধ্যে বড় বড় দলে হাওরের ফেঞ্চুগঞ্জের অংশসহ চকিয়া, হাওরখাল পিংলা, জল্লা, কালাপানি, বাইয়াগজুয়া, মালাম, নাগুয়া লরিবাই, কৈয়ারকোনা ও ফুটবিলে বিভিন্ন জাত ও রংয়ের অতিথি পাখির দেখা পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারো শুরু হয়ে গেছে অতিথি পাখির আনাগোনা।

প্রতিদিন এদের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতি বছর ৫০-৬০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে হাওরে। এর মধ্যে অনেক বিলুপ্ত প্রজাতির পাখিরও দেখা মেলে। এক সময় এ হাওর অতিথি পাখিদের নিরাপদ অভয়াশ্রম ছিল। কিন্তু গত ৩ বছর থেকে হাওরটিতে অতিথি পাখির অভয়াশ্রম নেই বললেই চলে।পাখি শিকার আইনত দণ্ডনীয় হলেও একশ্রেণির লোভী মানুষ সে অপরাধে প্রতিদিনই নিজেদের যুক্ত করছে। বায়ু ও পরিবেশ দূষণের কারণেও তাদের আগমন হ্রাস পাচ্ছে।

এ বিষয়ে সতর্ক না হলে বিশেষত অতিথি পাখির নিরাপত্তায় জনসচেতনতা গড়ে না উঠলে তা দেশের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য বিসংবাদ হয়ে দাঁড়াবে; যা কাম্য হওয়া উচিত নয়।প্রতি বছর শীতে আসা এ সব অতিথি পাখি নিধনে সংঘবদ্ধ একদল বিষটোপ নিয়ে প্রস্তুত থাকে।এবারো চক্রটি তাদের অপতৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ: Banglanewspaper পাখি হাকালুকি ফেঞ্চুগঞ্জ