banglanewspaper

শরীফ আনোয়ারুল হাসান (রবিন): মাগুরায় শিশুদের মাঝে ঠান্ডা জনিত ডাইরিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সরকারী হাসপালের শিশু ওয়ার্ডে স্থান সংকুলান না হওয়ায় অধিকাংশ অভিভাবক তাদের শিশুদের নিয়ে হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় বসে চিকিৎসা করাতে বাধ্য হচ্ছেন।

এতে চিকিৎসা  নিতে আসা  শিশু ও তার অভিভাবকরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

মাগুরার সদর হাসপালের শিশু ওয়ার্ডে বেডর সংখ্যা ১০ টি হলেও বর্তমানে এখানে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক ডাইরিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগি ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। বেডের অভাবে অধিকাংশ অভিভাবক তাদের অসুস্থ বাচ্চাদের  বারান্দা ও মেঝেতে রেখে চিকিৎসা করাতে বাধ্য হচ্ছেন।

ভুক্তোভোগিরা বলছেন, তাদের শিশুরা কেউ শীত জনিত ডাইরিয়া আবার কেউ শ্বাঃসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। ১০ বেডের শিশু ওয়ার্ডে স্থান না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অস্বাস্থকর পরিবেশে বারান্দায় ও মেঝেতে বসে শিশুদের চিকিৎসা করাচ্ছেন।

পারনান্দুয়ালী থেকে শিশুর চিকিৎসা নিতে আসা সুমি খাতুন বলেন,  সোমবার রাত একটার দিকে শিশুর পাতলা পায়খানা, ডাইরিয়া জনিত সমস্যা নিয়ে মাগুরা সদরহাসপাতালে ভর্তি হন। এখানে ময়লা, দুগন্ধ, বারান্দায় জানালর গ্লাস ভাঙ্গা, দরজার ছিটকিনা নেই। রাতের বেলায় কুয়াশার কারণে বারান্দা ও মেঝেতে থেকে শিশুদের বেশি পরিমান ঠান্ডা লাগে। এতে করে শিশুরা আরো বেশি করে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

সদর হাসপালের শিশু চিকিৎসক  ডা. জয়ন্ত কুমার কুন্ডু বলেন, , মাগুরায় গত কয়কদিনের তীব্র শীত পড়ার কারণে শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন ঠান্ড জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, তাই রোগীর সংখ্যা বাড়েছে। ১০ বেডের শিশু ওয়ার্ডে সব সময় ৮০-৯০ জন শিশু রোগী ভর্তি থাকছে। তবে তারা বাড়তি রোগিদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন বলে জানান।

তিনি বলেন শিশুদের ঠান্ডা লাগানো থেকে বিরত রাখতে হবে।

হাসপাতালে পরিচালক ডা. সুশান্ত কুমার বিশ্বাস বললেন, শীত জনিত কারনে শিশু রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০০ শয্যার হাসপাতালে শিশুদের জন্য বরাদ্দ ১০ বেডের স্থলে বর্তমানে প্রায় শতাধিক শিশু রোগি ভর্তি রয়েছে। তবে প্রশাসনিক ও আর্থিক অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল চালু হলে এই আসন সমস্যার সমাধান হবে।

ট্যাগ: Banglanewspaper মাগুরা শীত ঠান্ডা জনিত রোগ বারান্দায় রোগী