banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মাওলানা সাদ ইজতেমা ময়দানে যাবেন না। সুবিধামতো সময়ে নিজ দেশে ফিরে যাবেন। যতদিন বাংলাদেশে থাকবেন ততদিন কাকরাইল মসজিদেই থাকবেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিকেল ৩টায় শুরু হয় এই বৈঠক। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিবাদমান দুই পক্ষকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন মওলানা মহিবুল্লাহ, মওলানা গিয়াসউদ্দিন এবং মওলানা ওয়াসিফুল ইসলাম। এর আগে বুধবার মাওলানা সা’দের বাংলাদেশ আগমন ঘিরে উত্তপ্ত ছিল পরিস্থিতি। বিক্ষোভ আন্দোলনে যানজটে ভোগান্তিও ছিল অনেক।

তবে বৈঠক সম্পর্কে তাবলিগ জামাতের নেতারা কিছু বলেননি।

মাওলানা সাদ কান্ধলভীর পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশের তাবলিগ জামাত এখন স্পষ্টত বিভক্ত। কওমি সমর্থিত একটি গ্রুপ বিশ্ব ইজতেমায় তার যোগদানের পক্ষে, আরেকটি পক্ষ বিশ্ব ইজতেমায় তার যোগদানের বিপক্ষে। এ নিয়ে চরম বিরোধ চলছে। এ অবস্থায় মাওলানা সাদ বিশ্ব ইজতেমায় যাবেন কি না, সে বিষয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তাবলিগ জামাতের বিবদমান দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে মাওলানা সাদ তার বয়ানে মুসা (আ.) সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তাকে 'গুমরাহ' বলে ফতোয়া দিয়েছে ভারতের দেওবন্দ দারুল উলুম।

ভারতীয় উপমহাদেশের সব কওমি মাদ্রাসা দেওবন্দের আদর্শে পরিচালিত হয়। দেওবন্দের ফতোয়ায় বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসার আলেম-ওলামারাও সাদ কান্ধলভির বিরোধিতা করছেন।

তাবলীগের শীর্ষ পরামর্শ সভা থেকে সাদ কান্ধলভিকে ইজতেমায় অংশ না নেয়ার অনুরোধ করা হলেও বুধবার দুপুরেই তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। তখনই বিমানবন্দর এলাকায় তাবলীগের একাংশের অবস্থান নেয়ার কারণে ইজতেমার মাঠে না গিয়ে কাকরাইল মসজিদে যান মাওলানা সাদ।

 

ট্যাগ: Banglanewspaper স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাওলানা সা’দ ইজতেমা তাবলিগ