banglanewspaper

রাজধানীর শ্যামলীতে নিজের মোটরসাইকেলের সঙ্গে হালকা ধাক্কা লাগায় একটি প্রাইভেট কার ভাংচুর ও এর যাত্রীদের মারধর করেছেন পুলিশের এক কনস্টেবল। সে পুলিশের চ্যান্সেরি বিভাগে কর্মরত বলে জানা গেছে। তার নাম আরিফ। 

আরিফুলের বাবা সাইফুল ইসলাম পুলিশের স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন-এসপিবিএনের এএসআই।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশের চ্যান্সারি বিভাগে কর্মরত আরিফুল ইসলাম দুপুর ২টার দিকে শ্যামলী সিনেমা হলের সামনের রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের কার্ডিওলজি রেজিস্ট্রার ডা. সাবরিনার ছেলে রাগীব মোহাম্মদ ও তার তিন বন্ধু প্রাইভেটকারে বনানীর দিকে যাচ্ছিলেন। 

এ সময় আরিফুলের মোটরসাইকেলের সঙ্গে গাড়িটির সামান্য ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে দু'পক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই পুলিশ সদস্য রাগীব ও তার দুই বন্ধু— নাহিন ও মাহাদিকে মারধর করেন। পরে নিজের হেলমেট দিয়ে গাড়ির জানালা এবং সামনের ও পেছনের কাচ ভাংচুর করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে আশপাশের লোকজনের ভিড় জমে যায়। তারা আরিফুলের কাছে মারধরের কারণ জানতে চান। 

 

এতে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে হম্বিতম্বি করতে থাকেন। এতে লোকজনও উত্তেজিত হয়ে মারমুখী হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে আদাবর থানা পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

শ্যামলী ট্রাফিক বক্সের কর্তব্যরত ট্রাফিক কনস্টেবল রেজাউল বলেছেন, ‘আমি দুপুর ২টা থেকে ডিউটি শুরু করেছি। এখানে এসে দেখি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। পরে পুলিশ এসে দুই পক্ষকেই নিয়ে গেছে।’

আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দুই পক্ষকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। ভুক্তভোগীরা মামলা করলে আমরা তা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবো।’

ট্যাগ: Banglanewspaper পুলিশের কনস্টেবল এলাহি কাণ্ড