banglanewspaper

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘এফ’ ইউনিটের ২০১৬-২০১৭  শিক্ষবর্ষের ভর্তি বাতিলকৃত সেই ১০০ শিক্ষার্থী পুনরায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ স্বক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নং ৩৩১৯/২০১৭ এবং আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিভিল আপিল নং ৪২৪/২০১৭ এর আদেশ মোতাবেক ভর্তি বাতিলকৃত ওই শিক্ষার্থী নতুন করে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। ‘এফ’ ইউনিটভুক্ত পরিসংখ্যান ও গণিত বিভাগে ভর্তিকৃত ও পরবর্তীতে ভর্তি বাতিলকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে দ্বিতীয়বার অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে যে সকল শিক্ষার্থীরা ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়ে ভর্তি হয়েছে তারা ব্যতিত উক্ত শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদেরকে সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির অনুমতি দেয়া হলো। উক্ত শিক্ষার্থীরা আগামী ১৫ জানুয়ারি হতে ২১ জানুয়ারির মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে নির্ধারিত ভর্তি আবেদন ফরম সংগ্রহ করে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে।   

উল্লেখ্য, প্রশ্নপত্র ফাঁসে’র অভিযোগ ওঠার পর গত বছরের ২২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘এফ’ ইউনিটের (গণিত ও পরিসংখ্যান) ভর্তি পরীক্ষা বাতিলে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ।

আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে গত ১৭ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে ইবি কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ‘এফ’ ইউনিটের ২০১৬-২০১৭  শিক্ষবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি ১০০ শিক্ষার্থী ওই ইউনিটভুক্ত পরিসংখ্যান ও গণিত বিভাগে ভর্তি হন। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর ওই বছরের ৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করে।

বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এ সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ফারহানা আক্তার লিজাসহ ৮৮শিক্ষার্থী হাইকোর্টে রিট করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ১৩ মার্চ হাইকোর্ট বিভাগ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল জারি করেন। এর মধ্যে ১৬ মার্চ ‘এফ’ ইউনিটে ফের পরীক্ষা নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরপর রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই রুল যথাযথ (অ্যাবসুলেট) ঘোষণা করেন। ফলে ১৬ জানুয়ারি ভর্তি হওয়া ১০০ শিক্ষার্থীর ভর্তিও বহাল থাকে। ফলে আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিভিল আপিলের আদেশ মোতাবেক ভর্তি বাতিলকৃত ওই ১০০ শিক্ষার্থী পুনরায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

ট্যাগ: Banglanewspaper ইবি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়