banglanewspaper

ফুটপাতে হকার বসানো নিয়ে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের দ্বন্দ্বে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মঙ্গলবার রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছিল নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া।

সংঘর্ষে দুই পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হন, যার মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা রয়েছেন।

পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে দুই পক্ষকে হটিয়ে দিলেও এখনও শহরে উত্তেজনা চলছে।

হামলার জন্য সরাসরি শামীম ওসমানকে দায়ী করেন মেয়র আইভী। অন্যদিকে শামীম ওসমানের দাবি, হকারদের বসাকে কেন্দ্র করে উসকানি দিয়ে গণ্ডগোল বাঁধানো হয়েছে।

শামীম ওসমান বলেছেন, পুলিশের উপস্থিতিতে মেয়র আইভীর লোকজন হকারদের ওপর গুলি বর্ষণ করেছে।

এ সময় শামীম ওসমান তার নেতাকর্মীদের এ সংঘর্ষে না জড়াতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কোনো একটি পক্ষ আমাদের দুর্নাম করতে এ সংঘর্ষের সৃষ্টি করছে। তোমরা এ ফাঁদে পা দিও না। শান্ত থাকো। সুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

এর আগে নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ফুটপাত রক্ষায় নগর ভবন থেকে পায়ে হেঁটে চাষাঢ়া অভিমুখে রওনা দেন।

ওই সময় তারা নগরীর সাধুপৌলের গির্জার কাছে এসে পৌঁছলে চাষাড়া দিক থেকে আসা একদল লোক হামলা চালায়। এতে মেয়র আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান।

ট্যাগ: Banglanewspaper আইভী গুলি শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জ