banglanewspaper

এম.পলাশ শরীফ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের মঠবাড়িয়া গ্রামের একটি জরাজীর্ণ পুল থেকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে ৬ গ্রামের মানুষসহ শিক্ষার্থীরা।

জেলা পরিষদে নতুন পুলের জন্য আবেদন করেও কোন ব্যবস্থা পায়নি এলাকাবাসি। জন দুর্ভোগ চরমে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলা পরিষদ কর্তৃক বরাদ্ধকৃত নির্মিত জিউধরা ইউনিয়নের একরামখালী খালের দু’পাড়ের সংযোগ স্থাপনকারী কাঠের একটি পুল। দীর্ঘ ৯ বছর পূর্বে এ পুলটি নির্মিত হলেও পরবর্তীতে সংস্কার না হওয়ায় ৫ বছর ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় পুলটি থেকে পারাপারের জন্য বাঁশ ও কোন পাতল কাঠের চালি দিয়ে পারাপার হচ্ছে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীসহ ৬ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ৯নং ওয়ার্ড একরাম খালী খালের দু’ পাড়েই মঠবাড়িয়া গ্রাম। যেখানে ২ হাজারের বেশী মানুষের বসবাস।

এছাড়া রয়েছে ইউসুফিয়া আলিম মাদ্রাসা, রাজাউল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৯১নং মঠবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একরাম খলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মঠবাড়িয়া আল মদিনা জামে মসজিদ, হাজ্বী নেপ্তারিয়া জামে মসজিদ, হাজ্বী নেপ্তারিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রসা।

প্রতিদিনই এ পুলটি থেকে এসব বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীসহ একরাম খালী, চন্দন তলা, ঠাকুরান তলা, আড়ংঘাটা, বটতলা ও বাইনতলা ৬টি গ্রামের মানুষ তাদের প্রতিনিয়ত হাট বাজারের জন্য এ পুল পারাপার হয়ে যেতে হচ্ছে লক্ষিখালী, জিউধরা গোড়ার বাজার ও মৌলভী বাজারে। এমনকি উপজেলা শহরে আসতেও তাদের পার হতে হচ্ছে এ পুল।

ইউপি সদস্য সোহাগ তালুকদার স্থানীয় বাসিন্দা হারুন মুন্সি, সোবাহান হাওলাদার জানান, এক বছর পূর্বে জেলা পরিষদে এ পুলটি নতুন করে নির্মাণ করার জন্য আবেদন করেছিল এলাকাবাসী। কিন্তু‘ অধ্যবধি পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা হয়নি। এলাকাবাসীর দাবি অনতি বিলম্বে এ পুলটি নতুন করে নির্মাণ করা জরুরী। জরাজীর্ণ ভগ্নদশা এ পুলটি নির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ ব্যাপরে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদশা বলেন, জিউধরা ইউনিয়নের ৫টি জেলা পরিষদ কর্তৃক বরাদ্ধকৃত পুল সবকটিই জরার্জীর্ণ ভগ্নদশায় রয়েছে। এসব পুল নতুন করে নির্মাণের জন্য আবেদন করা হয়েছে জেলা পরিষদে। আশা করি অতি শীঘ্রই এ পোলগুলো নির্মিত হবে।

ট্যাগ: Banglanewspaper মোড়েলগঞ্জ