banglanewspaper

বিজ্ঞানী সৈয়দ আহমেদ জামাল ৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তার স্ত্রীসহ তিন সন্তানের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব আছে। এই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও বুধবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করেন দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক দপ্তরের (আইসিই) কর্মকর্তারা।

আদালতের নির্দেশেই জামালকে গ্রেফতার করা হয় বলে দাবি অভিবাসন দফতরের। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও ব্যক্তিকে বিপজ্জনক মনে হলে তাকে গ্রেফতার করা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন তারা। 

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যাঞ্চলের ক্যানসাস রাজ্যের লরেন্স শহরে গত ১৮ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন জামাল। তিনি ৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন। তার তিন সন্তানের সবারই জন্ম সেখানেই।

২০১১ সালে একবার জামালের ভিসা বাতিল হয়ে যায়। আদালত 'ভলান্টারি ডিপারচার'এর নির্দেশ দিলেও সে সময় দেশ থেকে জামালকে বিতাড়িত করা হয়নি। পরে স্থায়ী বসবাসের ভিসা আবদেন করলে খারজি করে দেয় অভিবাসন আপিল বোর্ড।

গত বুধবার গ্রেপ্তারের সময়ে সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন সৈয়দ জামাল। কিন্তু আইসিই তাকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। অভিযোগ দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন তিনি।

তবে ওই অধ্যাপকের পরিবার দাবি, পুলিশের কাছে জামালের অপরাধের কোনো তথ্য নেই। গ্রেপ্তারের সময়ে জামালের কাছে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের অস্থায়ী অনুমতিপত্র ছিল।

সৈয়দ আহমেদ জামাল জামাল কানসাসের লরেন্সে খুব জনপ্রিয়। তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব থেকে প্রতিবেশীরা জনমত তৈরি করতে স্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু করেছে। এরই মধ্যেই ২৫ হাজার স্বাক্ষর সংগ্রহ হয়েছে।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, সৈয়দ জামালের বিষয়টিই প্রমাণ করে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস বিভাগ নিরপরাধদেরও গ্রেপ্তার করছে।

 

ট্যাগ: Banglanewspaper যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি গ্রেপ্তার