banglanewspaper

ধর্ষণের পর ওই শিশুটিকে ভয় দেখিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক বলেছিল, তুমি যদি এ কথা কাউকে বলো, তা হলে পাগল হয়ে যাবে। পাগল হওয়ার পর রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে।

ঢাকার কদমতলী থানা এলাকায় নয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি আলাউদ্দিনকে (৩৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তবে শিশুটির কাছ থেকে ঘটনা জানার পর এলাকাবাসী ওই মুফতিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।

অন্যদিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা মারা যাওয়ার পর মা বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে। ৯ বছর বয়সী মেয়েটি ও তার অন্ধ এক ভাই চাচার বাসায় থাকে। সেখান থেকে সে কদমতলীর সাদ্দাম মার্কেট মাদ্রাসায় পড়ত।

শিশুটির চাচা জানান, গত ১ মার্চ পড়া বোঝানোর নাম করে ওই শিক্ষার্থীকে ১ মার্চ অধ্যক্ষ তার তিন তলার কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। এর পর তাকে বলে- ‘তুমি যদি এ কথা কাউকে বলো, তা হলে পাগল হয়ে যাবে। পাগল হওয়ার পর রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে।’ পরদিন শুক্রবার মাদ্রাসা বন্ধা ছিল। শনি ও রোববার মেয়েটি মাদ্রাসায় না গেলে দাদি কারণ জানতে চান। তখন সে ধর্ষণের ঘটনা বলে।

কদমতলী থানার ওসি আবদুল জলিল জানান, বিষয়টি পুলিশ জানার পর পরই অভিযোগ নিয়ে মামলা করা হয় এবং শিশুটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় শিক্ষক আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়।

ওসি জানান, গ্রেফতারের পর আলাউদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুই মেয়ের মধ্যে মোবাইল নিয়ে ঝগড়া হওয়ায় তিনি তাদের শাসন করেছিলেন। এ কারণে ওই ছাত্রী তাকে জড়িয়ে এসব বলছে।

ট্যাগ: banglanewspaper মাদ্রাসা শিক্ষক ধর্ষণ