banglanewspaper

এম. রহমান, ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহ মধুপুর বাজারে ছিল অনিল কুন্ডুর সিংগাড়ার দোকান। ১৯৭৩ সন থেকেই শুরু তার ব্যবসা। অতি সাধারণ মানুষ ছিল তিনি। ছোট সংসার আর বাজারের এক পাশে তার ছোট দোকান। তারপর ও থেমে থাকেননি তিনি। 

অতি অল্প সময়েই তার তৈরী সিংগাড়ার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। সিংগাড়া বিক্রি করেই চলতো তার সংসার। বাবার কাজে সাহায্য করত ছেলে অশোক (৫০)। আজ আর বেঁচে নেই অনিল কুন্ডু। আছে তার প্রিয় সেই ব্যবসা। তিনি মারা যাবার পর তার ছেলে অশোক কুন্ডু বাবার মত একই ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বাবার শেখানো কাজটিই আজ তার ভাগ্য ফেরাচ্ছে। 

তার আছে দুই ছেলে আর দুই মেয়ে। মেয়ে দুটিকে বিয়ে দিয়েছেন আর ছেলে দুটি ব্যবসায় বাবাকে সাহায্য করে। স্ত্রী বাসনাও বাড়ীতে সিংগাড়া বানাতে সাহায্যদান করে। প্রতিদিন দূর থেকে আসে হাজারো মানুষ। খাবার উদ্দেশ্য সেই ২ টাকা দামের মজাদার সিংগাড়া। বাবার মত অশোক কুন্ডুও সকলের প্রিয় হয়ে উঠেছেন। 

অশোক কুন্ডু জানান, বাবা চলে যাবার পর থেকেই আমি বাবার শেখানো ব্যবসা করে আসছি এবং সফল হয়েছি। সকলের ভালোবাসায় আজ আমি এতদূর। বাবাকে মনে পড়ে খুব। একসময় বাবার সাথেই বেশী সময় কেটেছে আমার। 

দূর থেকে আসা এক সিংগাড়া প্রেমী জানায়, আমি অনেকদিন ধরে আসছি। ভালো লাগে তার সিংগাড়া।

ট্যাগ: Banglanewspaper ঝিনাইদহ সিংগাড়া