banglanewspaper

ইউএস-বাংলার এয়ারলাইন্সের বিমানটি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে যান্ত্রিক ক্রুটির কারণেই বিধ্বস্ত হয় বলে দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। সোমবার দুপুরে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিক ভাবে যান্ত্রিক ক্রুটিকেই দায়ী করছেন।

এদিকে দুর্ঘটনাস্থলে কাজ করছেন অগ্নিযোদ্ধা ও উদ্ধারকারী দল। উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও যোগ দিয়েছেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে। তবে ঘণ্টাখানেক পেরিয়ে গেলেও ঘটনাস্থলে এখনও ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে।

বিমানের ৬৭ জন যাত্রীর ভাগ্যে কি ঘটেছে তা এখনও পরিষ্কার নয়! তবে নেপালের সংবাদমাধ্যম কাঠমাণ্ডু পোষ্ট জানিয়েছে, অন্তত ২০ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুর জানিয়েছেন, বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ছাড়াও ৪ জন ক্রু ছিলেন।

এস২-এডিইউ মডেলের ৭৮ আসনের টুইন টার্বো প্রোপ বিমানটি ঢাকা থেকে কাঠমাণ্ডুতে পৌঁছানোর পর অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। এরপর পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। তখন নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা বেজে ২০ মিনিট।

দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান বিমানবন্দরের কর্মী ও উদ্ধারকারীরা। পুরো বিমানে তখন আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। ছিন্ন ভিন্ন বিমানে সবাই এখনও জীবিত আছেন কিনা এই নিয়ে সংশয় দেখা দিলেও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য দেয়নি।

ট্যাগ: Banglanewspaper যান্ত্রিক ক্রুটি ইউএস-বাংলা বিধ্বস্ত