banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ইউএস বাংলার একটি বিমান কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানের থাকা ৭১ যাত্রী ও ক্রু’র মধ্যে এ পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এদিকে, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রহস্যজনক বলে মনে করছেন অনেকেই। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীল কেউ এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না। তাদের এমন নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিমানে থাকা যাত্রীদের স্বজনেরা।

সময়ের সাথে সাথে ভীড় বাড়ছে রাজধানীর বারিধারায় অবস্থিত ইউএস বাংলা এয়ার লাইন্সের অফিসে। নেপালগামী বিমানটির যাত্রীদের স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠছে অফিসের পরিবেশ।

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার উম্মে সালমা। সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তিনি। বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়েল সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট চিফ হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনদিনের দাফতরিক সফরে (অফিসিয়াল ট্রিপে) সোমবার ইউএস বাংলার বিমানে কাঠমান্ডু রওনা দিয়েছেন তিনি। এরপরই আসে বিমান দুর্ঘটনার খবর। সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বারিধারারা ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের অফিসে ছুটে আসেন তার বড় ভাই আবুল কালাম আজাদ। বোনের জন্য আহাজারি করতে থাকনে তিনি। বোনকে জীবিত ফিরে পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন তিনি। শোক যেন তাকে নির্বাক করেছে।

তার সঙ্গে একই বিমানে ছিলেন সিনিয়র সহকারী প্রধান নাজিয়া আফরিন চৌধুরী।

নেপালে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলার বিমানে পরিকল্পনা বিভাগের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের ( জিইডি) দুই নারী কর্মকর্তার থাকার কথাটি নিশ্চিত করেছেন জিইডির সদস্য ড. সামসুল আলম।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা খোঁজ-খবর রাখছি। নেপাল দূতাবাসে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। কিন্তু দূতাবাস এখন পর্যন্ত কিছুই বলতে পারছে না। সরকারি এক সেমিনারে অংশ নিতে ওই দুই কর্মকর্তা নেপালে যান বলেও জানান তিনি।

ট্যাগ: banglanewspaper বিমান বিধ্বস্ত ইউএস বাংলা