banglanewspaper

কি বলবো?... থাক

হয়ে গেছি হতবাক

পুলিশের পাহারা

লজেন্স চুষে তাহারা

(এই দেশ একদিন জনতার হবে: আবদুল হামিদ মাহাবুব)

স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের ব্যাংক ‘ইসলামী ব্যাংক’-এর দ্বারা পরিচালিত হয় আমাদের অধিকাংশ চ্যানেল তাদের বিজ্ঞাপন না হলে যেন চলেই না এমন একটা পরিস্থিতিতে তাদের মুখেই আবার স্বাধীনতা স্বাধীনতা উচ্চারণ মানায় না।

কেননা, এরাই স্বাধীনতার লেবাশধারী সবচেয়ে বড় দেশবিরোধী-স্বাধীনতা বিরোধী আর তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বলতে চাই- যে দেশে স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের উত্তরসূরীরা রাজনৈতিক-শিক্ষা-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক-সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বারবার প্রভাব বিস্তার করেছে; সে দেশে সবার আগে প্রয়োজন স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনৈতিক-শিক্ষা-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক-সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কালো তালিকাভূক্ত করা; অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ‘স্বাধীনতা শব্দটি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে প্ররিচালিনা করা তা না করে যেই লাউ সেই কদুর মত এগিয়ে গেলে লোভ মোহহীন নিরন্তর মানুষ হুমায়ুন আজাদ, অভিজিৎ দার মত আমাদেরকে হারাতে হতে পারে প্রাণ।

কেননা, আমরা মুক্তিযদ্ধের চেতনায় অন্ধকারের দিন শেষ করে আলোকিত সমাজ গড়তে বদ্ধ পরিকর... আর তাই তীব্র নিন্দা জানাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের উপর হামলার এই হামলায় আমি মনে করি পুলিশ-প্রশাসন ও স্থানিয় রাজনীতিকদের একটি অংশের পৃষ্টপোষকতা রয়েছে; আর তাই সুষ্ট তদন্ত চাই একই সাথে প্রশ্ন করতে চাই সরকার-প্রশাসন এবং তথাকথিত রাজনীতিকদেরকে; বলুন তো ৪ জন বেশি না ৩ জন? যদি ৪ জন বেশি হয় তাহলে সেই ৪ জনের নিরাপত্তাবলয় ভেদ করে ৩ জন কিভাবে হামলা করে?

নিশ্চয়ই এখানে পুলিশ-প্রশাসনের হাত রয়েছে। যদি তা না হয় তাহলে ৩ জনের মধ্যে ১ জনই কেন গ্রেফতার হবে? বাকিরা শত শত মানুষের নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কিভাবে পালিয়ে যাবে? উত্তর খুঁজতে খুঁজতে দেখে আসি স্বাধীনতার পক্ষের বুদ্ধিজীবী হিসেবে ব্যপক পরিচিত জনাম মুহম্মদ জাফর ইকবাল-এর উপর হামলার ঘটনায় অদ্যপ্রান্তে - ড. জাফর ইকবালকে সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হত্যার চেষ্টা চালানো হয় বলে গণমাধ্যম শিরোনাম করে পরবর্তী লাইনে লেখে- ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠানের সময় হামলাকারীরা পেছন থেকে জাফর ইকবালের মাথায় তিন দফা উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে।

এছাড়া পিঠে এবং বাম হাতেও আঘাত করা হয়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে দ্রুত সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যজন মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে সিলেট থেকে ঢাকার সিএমএইচে আনা হয়। তার চিকিৎসায় পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ড. জাফর ইকবালকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দ্রুত ঢাকার সিএমএইচে আনার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে তিনি প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এহসানুল করিম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে জাফর ইকবালের চিকিৎসার খোঁজখবর রাখছেন। এ ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক দলের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এদিকে শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। হাসপাতালেও ভিড় করেন তারা। ঘটনার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে।

এ হামলার সঙ্গে জঙ্গি সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সিলেটে যাচ্ছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিটিটিসির উপ কমিশনার মহিবুল ইসলাম।

অবশ্য উপস্থিত শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, হামলার সময় জাফর ইকবালের পাশে চার সদস্যের নিরাপত্তারক্ষীও ছিলেন। পুলিশ দাবি করেছে, হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে তাদের এক সদস্যও আহত হয়েছেন। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র আবদুল ওয়াহাব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, হামলার পরপরই হামলাকারী যুবককে আটক করা হয়।

সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার বলেন, রাত পৌনে ১০টায় ড. জাফর ইকবালকে অ্যাম্বুলেন্সে ওসমানী মেডিকেল থেকে ওসমানী বিমানবন্দরে নেয়া হয়। সেখান থেকে বিমানবাহিনীর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। রাত ১০টায় ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একে মাহবুবুল হক সাংবাদিকদের জানান, ‘ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল শঙ্কামুক্ত। তার মাথায় দুটি, পিঠে একটি ও বাম হাতে একটি আঘাত রয়েছে। ফলে কিছুটা রক্তক্ষরণ হয়েছে।

এখন কথা হলো- ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দু’দিনব্যাপী ইইই ফেস্টিভালের ‘রোবো ফাইট’ আয়োজনে নিরাপত্তা ছিলো, ছিলো হাজারো উপস্থিতি। তাহলে সেই সময়ে পেছন থেকে কিভাবে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডের পাশে মুক্তমঞ্চে অন্যান্য শিক্ষক ও অতিথিদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন তিনি। ফেস্টিভালে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক জাফর ইকবাল।

অন্যদের সঙ্গে নিয়ে বসেছিলেন মুক্তমঞ্চে। ২৪-২৫ বছরের হালকা দাড়িওয়ালা এক যুবক আচমকা পেছন থেকে তার মাথায় ছুরিকাঘাত করে। তার পিঠে ও বাম হাতেও আঘাত লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পুলিশের একই মাইক্রোবাসে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। ড. জাফর ইকবালের সহকর্মী কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম অবশ্য গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমি স্যারকে ‘চলেন স্যার আমরা উঠি’ বলায় তিনি ওঠার জন্য সামনের দিকে ঝোঁকেন।

এ সময় তার পেছন থেকে আঘাত করা হয়। খুব সম্ভবত হামলাকারীরা স্যারের ঘাড়ে আঘাত করতে চেয়েছিল কিন্তু সামনের দিকে ঝুঁকে যাওয়ায় গুরুতর আঘাত থেকে রক্ষা পান। অন্যদিকে প্রথম ছুরি ব্যর্থ হলেও হামলাকারী দ্বিতীয়বার আঘাতের চেষ্টা চালালে তা রুখে দেন ড. জাফর ইকবালের পেছনে থাকা পুলিশ কনস্টেবল মো. ইব্রাহিম। হাত দিয়ে ফেরালে এ সময় ছুরিটি তার হাতে প্রবেশ করে। পরে আশপাশের সবাই হামলাকারীকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। ড. জাফর ইকবাল ও পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী এক শিক্ষার্থী জানান, দুই হামলাকারীর একজনকে ধরতে পারলেও অন্যজন মোটরসাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এদিকে হামলাকারীকে বেধড়ক পিটুনির পর তাকে উদ্ধার করে একাডেমিক ভবনের ভেতরে নিয়ে যায় পুলিশ ও শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীরা এ বিল্ডিং ঘেরাও করে রাখায় ভেতরেই তার চিকিৎসা দেয়া হয়। গুচ্ছ দাড়ির এ হামলাকারীর পরনে কালো টি-শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট রয়েছে। পুলিশ এলেও হামলাকারীকে নিয়ে যেতে দেয়নি শিক্ষার্থীরা। এই শিক্ষার্থীরা আগে কোথায় ছিলো; যখন ছবির তথ্যানুযায়ী হামলাকারী-জঙ্গীরা স্টেইজে উঠে গেলো? 

আমার রাজনীতির বয়স ২২ বছর। নতুনধারার রাজনীতির সাথে আছি ৭ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে আমার কেন যেন মনে হয়েছে যে, যদি জনগন ঐক্যবদ্ধ থাকতো; তাহলেই বিজয় অনিবার্য ছিলো লোভ মোহহীন নতুন প্রজন্মের। আজ ঐক্যবদ্ধ জনগন না থাকায় ড. জাফর ইকবাল আহত হওয়ার ২ ঘন্টা পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন।

ছুরির আঘাতে রক্তাক্ত জাফর ইকবালকে হাসপাতালে নেয়ার সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আই এম অলরাইট, তোমরা উত্তেজিত হয়ো না।’ এ সময় তার মাথা থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ে মুখ ও শার্ট ভিজে যাচ্ছিল। একথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বসে পড়েন। 

একদিকে হামলা হচ্ছে, আমাদের গুণিজনদেরকে হারাচ্ছি; অন্য;িকে পুলিশ শুধু শান্তা দিচ্ছে। কিন্তু তাতে করে হুমায়ুন আজাদ, অভিজিৎ, শামছুর রহমান, বালু, সাগর-রুণি হত্যার ঘটনা ঘটছে; কিন্তু ঘাতকরা চলে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু কিভাবে? ঠিক এভাবে, যেভাবে রাত ৯টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে হামলাকারীকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। তখন পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি। নাম-পরিচয়ও জানা যায়নি।

সিলেট মেট্রোপলিটন এডিসি (দক্ষিণ) জ্যোতিময় সরকার তপু জানান, আমরা তাকে চিকিৎসা দিয়ে তারপর জিজ্ঞাসাবাদ করব। হামলাকারীদের ধরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’ এ পর্যন্তই শেষ; বাস্তবতা হলো- কোন আসামীই আর ধরা পরে না পুলিশি জালে। কেননা, চালে ভুল করে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের পুলিশ, আমাদের প্রশাসন। এই অবস্থায় স্মরণ করতে চাই ২০১২ সালের সেই উত্তাল দিনগুলিকে। যে দিনগুলিতে আমাকেও গুম করার হুমকি দেয়া হয়েছিলো ব্লগে লেখার অপরাধে।

এরও অনেক পরের কথা; শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং তার স্ত্রী প্রফেসর ড. ইয়াসমিন হককে ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল। মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) নামে তাদের হুমকি দেয়া হয়। পরের দিন ১৪ অক্টোবর এ ব্যাপারে সিলেটের জালালাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তারা। জিডি নং-৫৯২ (১৪-১০-২০১৬)। এর পর থেকে তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

এ ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, ১৩ অক্টোবর দিনগত রাতে রাজধানীর বনানীর ডিওএইচএসে অবস্থান করছিলেন ড. জাফর ইকবাল দম্পতি। মধ্যরাতে একই নম্বর থেকে পৃথকভাবে তাদের মোবাইল ফোনে এসএমএস দেয়া হয়। প্রথম এসএমএস আসে রাত ১২টা ১৭ মিনিটে ইয়াসমিন হকের মোবাইলে।

তাতে ইংরেজিতে লেখা ছিল- Welcome to our nwe top list! Your breath may stop at aûtime.'-ABT পরের এসএমএসটি পাঠানো হয় ড. জাফর ইকবালের মোবাইল ফোনে রাত ২টা ৩০ মিনিটে। সেখানে লেখা হয়, Hi unbeliever! বি will strangulate you soon. অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মোবাইল নম্বর থেকে আসা এ দুটি এসএমএসকে জীবনের হুমকি মনে করে তারা থানায় (জিডি) অভিযোগ করেন।

এর আগে একইভাবে শুধু ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিক্ষাবিদসহ বিশিষ্টজনরা। হামলায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবিও জানান তারা। এখানেই সমাপ্তি চাই না। চাই এই সূত্রতায় সকল মুক্তমনা লেখক-সাংবাদিকের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচার।

একই সাথে প্রিয় শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক-এর সাথে একমত পোষণ করে বলতে চাই-  ‘এটি খুবই জঘন্য একটি ঘটনা। আমরা খুবই উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। মুক্তচিন্তার মানুষের ওপর এ ধরনের হামলা জঘন্য অপরাধ।

যারা মুক্ত চিন্তা করেন, সাধারণ মানুষের কথা বলেন সরকারকে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’ নিরাপত্তা চাই, আমার-আমাদের। আমরা যারা সত্যিকারের সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য নিবেদিত থেকে কালোকে কালো আর সাদাকে সাদা বলার সর্বোচ্চ চেষ্টায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছি...

লেখক

মোমিন মেহেদী: চেয়ারম্যান, নতুনধারা বাংলাদেশ-এনডিবি

Email: mominmahadi@gmail.com

01712740015

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: Banglanewspaper পুলিশ ঘুমায় জঙ্গি জাগে গা জ্বলে ভীষণ রাগে