banglanewspaper

ঢাবি প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মেজবাহ-উল-ইসলাম বিভাগের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

এ বিভাগের শিক্ষার্থীরা আজ সকাল ৮ টা থেকে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেন এ ঘটনার বিচার দাবিতে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বিভাগে শিক্ষার্থীদের মৌন অবস্থান, মানববন্ধন এবং সবশেষে সকাল ১০.৩০ মিনিটে ভিসি বরাবর স্বারকলিপি প্রদান।

উল্লেখ্য এই একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে থেকেই অনেকের সাথে শারিরীক ও মানসিক লাঞ্চনার অভিযোগ ছিল।

উল্লেখ্য সন্তানের অসুস্থতার কারণে আগের দিন বিভাগের একাডেমিক মিটিংয়ে আসতে না পারায় পরের দিন ১৩ই মার্চ ২০১৮ ইং  মঙ্গলবার ক্লাস নিতে এলে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেজবাহ-উল ইসলাম একাডেমিক মিটিংয়ে কেন আসতে পারেননি বলে তাঁর কৈফিয়ত চান। এ সময় এ শিক্ষককে গালিগালাজ এবং তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। 

এদিকে একই দিন বিকেলে বিভাগের সন্ধ্যাকালীন প্রোগ্রামে ক্লাস নিতে এলে বিভাগের কর্মচারী দিয়ে আনোয়ারুলকে ডেকে আনেন ড. মেজবাহ-উল ইসলাম। পরে চেয়ারম্যানের রুমে গেলে চেয়ারম্যান তাঁকে অনেক গালিগালাজ করেন এবং কেন মিটিংয়ে আসেনি তাঁর কারণ জানিয়ে দরখাস্ত দিতে বলেন।

আনোয়ারুল দরখাস্ত না দিয়ে ছুটির ফরম জমা দেবেন জানালে তখন অন্য সহকর্মীদের সামনে চেয়ারম্যান তাঁর (আনোয়ারুল) শার্টের কলার ধরে তাঁকে ধাক্কা দেন। এ সময় সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে আটকানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁরা চলে গেলে চেয়ারম্যান মেজবাহ ফের আনোয়ারুলের ওপর চড়াও হন এবং তাঁকে লাথি ও ঘুষি দেন। 

গত বুধবার ঘটনার স্বীকার ড. আনোয়ারুল ইসলাম একাডেমিক কমিটি এবং প্রক্টর বরাবর বিচার চেয়ে আবেদন করেন। এদিকে বিভাগটির জৈষ্ঠ্য অধ্যাপক ড. এস এম মান্নানের নেতৃত্বে বিভাগের শিক্ষকেরা ভিসি বরাবর ঘটনার উপযুক্ত বিচার চেয়ে আবেদন করেন এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরিক্ষা নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন বলে ঘোষণা দেন।

ট্যাগ: Banglanewspaper ঢাবি আইএলএমসি চেয়ারম্যান মেজবাহ-উল-ইসলাম অব্যাহতি