banglanewspaper

কোটা সংস্কারের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় এ নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠক শেষে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। তিনি বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হলো এটার স্টেকহোল্ডার। তারা বিষয়টা দেখে মন্ত্রিপরিষদকে অবহিত করবে।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত ওই বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সাংবাদিকদের একথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়টি বৈঠকে অনির্ধারিতভাবে আলোচনা হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ইতোপূর্বে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন বিষয়ে আরও অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সে অনুযায়ি কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ।

গত ৬ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত ওই পরিপত্রে বলা হয়, ‘সকল সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটার কোন পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা সম্ভব না হইলে সে সকল পদ মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের মধ্য হইতে পূরণ করিতে হইবে।’

এর আগে ২০১০ সালের মে মাসে জারিকৃত আরেক পরিপত্রে ১ম ও ২য় শেণির পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বিষয়ে বলা হয়, বিশেষ কোটার অধীন কোনো জেলার বিতরণকৃত পদের সংখ্যা হইতে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কম হইলে উক্ত বিশেষ কোটার অপূর্ণ পদসমুহ জাতীয় ভিত্তিক স্ব-স্ব বিশেষ কোটার জন্য প্রণীত জাতীয় মেধা তালিকা হইতে পূরণ করিতে হইবে।

‘উক্ত সিদ্ধান্ত অনুসরণের পর সংশ্লিষ্ট নিয়োগের জন্য মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটার কোনো কৃতকার্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে উক্ত পদগুলো অবশিষ্ট কোটা অর্থাৎ জেলার সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করিতে হইবে। ’

ট্যাগ: banglanewspaper প্রধানমন্ত্রী কোটা